ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গেল ক্যাফের অন্য প্রান্তে। অবসরপ্রাপ্ত মেজর আশফাকুজ্জামান খান তাঁর ফাইভ-জি স্মার্টফোনের স্ক্রিনে কল দিয়ে উচ্চস্বরে বকাঝকা করছেন। পাশে তাঁর স্ত্রী, যাঁর বিরক্তি মুখের প্রতিটি রেখায় স্পষ্ট। আর তাঁদের ছেলে ফারহান—একদম তথাকথিত জেন-জি রিচ কিডদের মতো বখাটে স্বভাবের। ক্রিপ্টোকারেন্সি, দামি ব্র্যান্ড আর নাইটলাইফের মোহে বুঁদ হয়ে থাকা ফারহান বাবার সাথে বেপরোয়া তর্ক করছে। সে পরিশ্রম না করেই কোটিপতি হতে চায়, আর সাইবার জগতে ডুবে থেকে তার মানসিক অবস্থা সবসময় চরম অস্থির ও খিটখিটে। তবে মেজরের ছোট মেয়ে আনিকা সম্পূর্ণ আলাদা—শান্ত, নম্র, কোনো বয়ফ্রেন্ড বা সোশ্যাল মিডিয়ার আড্ডায় আগ্রহ নেই; নিজের প্যাডেই ই-বুক আর অ্যাকাডেমিক রিসার্চ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। ে
ফারহানের এই তীব্র সাইবার অ্যাডিকশন ও মানসিক ভারসাম্যহীনতায় মেজর আশফাকুজ্জামান খানের পুরো পরিবারটি এক অনিশ্চিত অন্ধকারের দিকে যাচ্ছিল।
বাকলিয়া সাইবার রিসার্চ সেন্টারের এক কোণে বসে স্মার্ট ওয়াচে অ্যালার্ট চেক করছিলেন অভিলাষ মাহমুদের বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা, দক্ষ ও সাহসী সাংবাদিক জুলিয়া মুন। ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ও এআই সার্চের মাধ্যমে জুলিয়া মুন আগেই টের পেয়েছিলেন যে ফারহান এক ভয়ংকর অনলাইন ফ্রড ও বেটিং সিন্ডিকেটের জালে আটকা পড়েছে। জুলিয়া মুন তৎক্ষণাৎ কবি ও গাল্পিক অভিলাষ মাহমুদের ল্যাপটপের পাশে এসে নিচু স্বরে বললেন, "ফারহানের এই মানসিক অস্থিরতা আর ড্রাগ-জাতীয় বিষণ্নতা শুধু স্বভাবজাত নয়, ওকে একটা ডার্ক ওয়েব সিন্ডিকেট ব্ল্যাকমেইল করছে। আমাদের দ্রুত অ্যাকশনে যেতে হবে।"
ঠিক সেই সময় সেখানে উপস্থিত হলো অভিলাষ মাহমুদের জীবনের মূল ভিত্তি—তাঁর পরিবার। প্রাক্তন শিক্ষিকা ও সহধর্মিণী বিবি শাহীজান, যিনি নিজের ব্যক্তিত্ব আর আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধনে পুরো পরিবারকে একটা সুদৃঢ় সুশৃঙ্খল কাঠামোয় রাখেন। আর সাথে তাঁর চঞ্চল, অত্যন্ত টেক-স্যাভি কন্যা মুজিযা—যার ডিজিটাল বুদ্ধিমত্তার কারণে সবাই তাকে ডাকে 'ডিজিটাল পাকনা বুড়ি'!
মুজিযা তার ট্যাবের অগমেন্টেড রিয়ালিটি (AR) ড্যাশবোর্ডে ফারহানের ডিজিটাল অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাক করে মেজরের দিকে তাকিয়ে বলল, "আংকেল, আপনার ছেলের ইমোশনাল এনসেফালোগ্রাম আর ডিজিটাল রুটিন তো রেড জোনে! বাবা ইচ্ছা করলে উনার এই ব্রেইন-জট অনায়াসেই আনলক করে দিতে পারে।"
মেজর আশফাকুজ্জামান খান প্রথমে কিছুটা দ্বিধায় পড়লেও বিবি শাহীজানের পরিপক্ব কথা এবং কবি ও গাল্পিক অভিলাষ মাহমুদের ব্যক্তিত্বের প্রজ্ঞা দেখে সাহায্য নিতে রাজি হলেন।
বিকেলে অভিলাষ মাহমুদের আধুনিক স্টুডিও রুমে বসল এক ইমার্জেন্সি মিটিং। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, স্বনামধন্য মনোরোগ ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ডক্টর নীলিমা তাপসি। নীলিমা ফারহানের বায়ো-ফিডব্যাক রিপোর্ট ও ডার্ক ওয়েবের ডাটা বিশ্লেষণ করে বললেন, "ফারহানের অবচেতন মন এখন তীব্র ইনফরমেশন ওভারলোড আর সাইবার ট্রমার শিকার। ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার সাথে ওর ভেতরের পজিটিভিটি রি-প্রোগ্রাম করা জরুরি।"
এখানেই শুরু হলো কবি, গাল্পিক ও মার্শাল আর্ট বিশারদ অভিলাষ মাহমুদের বিশেষ দক্ষতা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগেও তিনি জানেন, মনের মূল নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে আছে প্রাচীন শ্বাস-প্রশ্বাস আর শারীরিক শৃঙ্খলায়। তিনি ফারহানকে তাঁর ডিজিটাল ট্র্যাকিং সেশনে নিয়ে প্রতিদিন ভোরে 'তাই চি' এবং মার্শাল আর্টের নিউরো-মাসকুলার কাতা অনুশীলন করাতে লাগলেন। ফারহানের ডিজিটাল বিষণ্নতা যখন শারীরিকভাবে শান্ত হতে শুরু করল, তখন অভিলাষ মাহমুদ প্রয়োগ করলেন তাঁর বিশেষ হিপনোথেরাপি (হিপনোটিস)।
ডক্টর নীলিমা তাপসির পর্যবেক্ষণে, সাউন্ডপ্রুফ স্টুডিওর সুনির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সির আলোর নিচে তিনি ফারহানকে গভীর ট্র্যান্সে (Trance) নিয়ে গেলেন। অবচেতন মনের নিউরন লেভেলে পৌঁছুলেন তিনি, এবং সুনির্দিষ্ট কমান্ড দিয়ে ফারহানের ভেতর থেকে বখাটেপনা, অহেতুক বিলাসিতা আর অস্থিরতার নেতিবাচক ইম্পালসগুলো মুছে ফেলে দিয়ে রোপণ করে দিলেন ইতিবাচক চিন্তার বীজ।
এদিকে সাংবাদিক জুলিয়া মুন তাঁর আধুনিক ডিজিটাল ইনভেস্টিগেশন চালিয়ে সেই গ্যাংটিকে সাইবার পুলিশের হাতে সোপর্দ করলেন।
পুরো মিশনজুড়ে অভিলাষ মাহমুদের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল পরিবার। শিক্ষিকা বিবি শাহীজান মেজরের স্ত্রীকে কাউন্সিলিং করে মানসিক সাপোর্ট দিলেন এবং আনিকাকে নতুন উচ্চশিক্ষার স্কলারশিপের দিকনির্দেশনা দিলেন। আর 'ডিজিটাল পাকনা বুড়ি' মুজিযা এআই (AI) দিয়ে ফারহানের জন্য একটা পার্সোনালাইজড মাইন্ডফুলনেস অ্যাপ তৈরি করে দিল, যা ফারহানের ডেইলি হ্যাবিট ট্র্যাক রাখবে।
কয়েক সপ্তাহ পর— সেই একই মুজিযা বুক ক্যাফে। কিন্তু পরিবেশ সম্পূর্ণ ইতিবাচক। মেজর আশফাকুজ্জামান খান এখন রিল্যাক্সড মুডে ট্যাবে পত্রিকা পড়ছেন। ফারহান এখন সম্পূর্ণ রূপান্তর ঘটানো এক স্থির, পজিটিভ এবং প্রডিজি তরুণ—যে নিজের মেধা দিয়ে সৎপথে স্টার্টআপ খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আনিকা আর মুজিযা একপাশে বসে নতুন এআই বুক ক্লাবের ডিজাইন নিয়ে কাজ করছে।
কবি, সাংবাদিক ও গাল্পিক অভিলাষ মাহমুদ তাঁর ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে চোখ তুলে ক্যাফের চারপাশের বদলে যাওয়া মানুষের দিকে তাকালেন। প্রযুক্তির এই নতুন যুগেও তাঁর কলম ও পজিটিভ চিন্তা জয় করল মানুষের ভেতরের অন্ধকারকে। কারণ তিনি মনে করেন—পৃথিবী যতই আধুনিক কিংবা ডিজিটাল হোক না কেন, নিজের মনের ভেতর যদি সুদৃঢ় পজিটিভিটি আর পারিবারিক ভালোবাসা থাকে, তবে যেকোনো উথাল-পাথাল ঝড়কেই শান্ত সাগরে পরিণত করা সম্ভব।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গেল ক্যাফের অন্য প্রান্তে। অবসরপ্রাপ্ত মেজর আশফাকুজ্জামান খান তাঁর ফাইভ-জি স্মার্টফোনের স্ক্রিনে কল দিয়ে উচ্চস্বরে বকাঝকা করছেন। পাশে তাঁর স্ত্রী, যাঁর বিরক্তি মুখের প্রতিটি রেখায় স্পষ্ট। আর তাঁদের ছেলে ফারহান—একদম তথাকথিত জেন-জি রিচ কিডদের মতো বখাটে স্বভাবের। ক্রিপ্টোকারেন্সি, দামি ব্র্যান্ড আর নাইটলাইফের মোহে বুঁদ হয়ে থাকা ফারহান বাবার সাথে বেপরোয়া তর্ক করছে। সে পরিশ্রম না করেই কোটিপতি হতে চায়, আর সাইবার জগতে ডুবে থেকে তার মানসিক অবস্থা সবসময় চরম অস্থির ও খিটখিটে। তবে মেজরের ছোট মেয়ে আনিকা সম্পূর্ণ আলাদা—শান্ত, নম্র, কোনো বয়ফ্রেন্ড বা সোশ্যাল মিডিয়ার আড্ডায় আগ্রহ নেই; নিজের প্যাডেই ই-বুক আর অ্যাকাডেমিক রিসার্চ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। ে
ফারহানের এই তীব্র সাইবার অ্যাডিকশন ও মানসিক ভারসাম্যহীনতায় মেজর আশফাকুজ্জামান খানের পুরো পরিবারটি এক অনিশ্চিত অন্ধকারের দিকে যাচ্ছিল।
বাকলিয়া সাইবার রিসার্চ সেন্টারের এক কোণে বসে স্মার্ট ওয়াচে অ্যালার্ট চেক করছিলেন অভিলাষ মাহমুদের বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা, দক্ষ ও সাহসী সাংবাদিক জুলিয়া মুন। ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ও এআই সার্চের মাধ্যমে জুলিয়া মুন আগেই টের পেয়েছিলেন যে ফারহান এক ভয়ংকর অনলাইন ফ্রড ও বেটিং সিন্ডিকেটের জালে আটকা পড়েছে। জুলিয়া মুন তৎক্ষণাৎ কবি ও গাল্পিক অভিলাষ মাহমুদের ল্যাপটপের পাশে এসে নিচু স্বরে বললেন, "ফারহানের এই মানসিক অস্থিরতা আর ড্রাগ-জাতীয় বিষণ্নতা শুধু স্বভাবজাত নয়, ওকে একটা ডার্ক ওয়েব সিন্ডিকেট ব্ল্যাকমেইল করছে। আমাদের দ্রুত অ্যাকশনে যেতে হবে।"
ঠিক সেই সময় সেখানে উপস্থিত হলো অভিলাষ মাহমুদের জীবনের মূল ভিত্তি—তাঁর পরিবার। প্রাক্তন শিক্ষিকা ও সহধর্মিণী বিবি শাহীজান, যিনি নিজের ব্যক্তিত্ব আর আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধনে পুরো পরিবারকে একটা সুদৃঢ় সুশৃঙ্খল কাঠামোয় রাখেন। আর সাথে তাঁর চঞ্চল, অত্যন্ত টেক-স্যাভি কন্যা মুজিযা—যার ডিজিটাল বুদ্ধিমত্তার কারণে সবাই তাকে ডাকে 'ডিজিটাল পাকনা বুড়ি'!
মুজিযা তার ট্যাবের অগমেন্টেড রিয়ালিটি (AR) ড্যাশবোর্ডে ফারহানের ডিজিটাল অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাক করে মেজরের দিকে তাকিয়ে বলল, "আংকেল, আপনার ছেলের ইমোশনাল এনসেফালোগ্রাম আর ডিজিটাল রুটিন তো রেড জোনে! বাবা ইচ্ছা করলে উনার এই ব্রেইন-জট অনায়াসেই আনলক করে দিতে পারে।"
মেজর আশফাকুজ্জামান খান প্রথমে কিছুটা দ্বিধায় পড়লেও বিবি শাহীজানের পরিপক্ব কথা এবং কবি ও গাল্পিক অভিলাষ মাহমুদের ব্যক্তিত্বের প্রজ্ঞা দেখে সাহায্য নিতে রাজি হলেন।
বিকেলে অভিলাষ মাহমুদের আধুনিক স্টুডিও রুমে বসল এক ইমার্জেন্সি মিটিং। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, স্বনামধন্য মনোরোগ ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ডক্টর নীলিমা তাপসি। নীলিমা ফারহানের বায়ো-ফিডব্যাক রিপোর্ট ও ডার্ক ওয়েবের ডাটা বিশ্লেষণ করে বললেন, "ফারহানের অবচেতন মন এখন তীব্র ইনফরমেশন ওভারলোড আর সাইবার ট্রমার শিকার। ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার সাথে ওর ভেতরের পজিটিভিটি রি-প্রোগ্রাম করা জরুরি।"
এখানেই শুরু হলো কবি, গাল্পিক ও মার্শাল আর্ট বিশারদ অভিলাষ মাহমুদের বিশেষ দক্ষতা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগেও তিনি জানেন, মনের মূল নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে আছে প্রাচীন শ্বাস-প্রশ্বাস আর শারীরিক শৃঙ্খলায়। তিনি ফারহানকে তাঁর ডিজিটাল ট্র্যাকিং সেশনে নিয়ে প্রতিদিন ভোরে 'তাই চি' এবং মার্শাল আর্টের নিউরো-মাসকুলার কাতা অনুশীলন করাতে লাগলেন। ফারহানের ডিজিটাল বিষণ্নতা যখন শারীরিকভাবে শান্ত হতে শুরু করল, তখন অভিলাষ মাহমুদ প্রয়োগ করলেন তাঁর বিশেষ হিপনোথেরাপি (হিপনোটিস)।
ডক্টর নীলিমা তাপসির পর্যবেক্ষণে, সাউন্ডপ্রুফ স্টুডিওর সুনির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সির আলোর নিচে তিনি ফারহানকে গভীর ট্র্যান্সে (Trance) নিয়ে গেলেন। অবচেতন মনের নিউরন লেভেলে পৌঁছুলেন তিনি, এবং সুনির্দিষ্ট কমান্ড দিয়ে ফারহানের ভেতর থেকে বখাটেপনা, অহেতুক বিলাসিতা আর অস্থিরতার নেতিবাচক ইম্পালসগুলো মুছে ফেলে দিয়ে রোপণ করে দিলেন ইতিবাচক চিন্তার বীজ।
এদিকে সাংবাদিক জুলিয়া মুন তাঁর আধুনিক ডিজিটাল ইনভেস্টিগেশন চালিয়ে সেই গ্যাংটিকে সাইবার পুলিশের হাতে সোপর্দ করলেন।
পুরো মিশনজুড়ে অভিলাষ মাহমুদের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল পরিবার। শিক্ষিকা বিবি শাহীজান মেজরের স্ত্রীকে কাউন্সিলিং করে মানসিক সাপোর্ট দিলেন এবং আনিকাকে নতুন উচ্চশিক্ষার স্কলারশিপের দিকনির্দেশনা দিলেন। আর 'ডিজিটাল পাকনা বুড়ি' মুজিযা এআই (AI) দিয়ে ফারহানের জন্য একটা পার্সোনালাইজড মাইন্ডফুলনেস অ্যাপ তৈরি করে দিল, যা ফারহানের ডেইলি হ্যাবিট ট্র্যাক রাখবে।
কয়েক সপ্তাহ পর— সেই একই মুজিযা বুক ক্যাফে। কিন্তু পরিবেশ সম্পূর্ণ ইতিবাচক। মেজর আশফাকুজ্জামান খান এখন রিল্যাক্সড মুডে ট্যাবে পত্রিকা পড়ছেন। ফারহান এখন সম্পূর্ণ রূপান্তর ঘটানো এক স্থির, পজিটিভ এবং প্রডিজি তরুণ—যে নিজের মেধা দিয়ে সৎপথে স্টার্টআপ খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আনিকা আর মুজিযা একপাশে বসে নতুন এআই বুক ক্লাবের ডিজাইন নিয়ে কাজ করছে।
কবি, সাংবাদিক ও গাল্পিক অভিলাষ মাহমুদ তাঁর ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে চোখ তুলে ক্যাফের চারপাশের বদলে যাওয়া মানুষের দিকে তাকালেন। প্রযুক্তির এই নতুন যুগেও তাঁর কলম ও পজিটিভ চিন্তা জয় করল মানুষের ভেতরের অন্ধকারকে। কারণ তিনি মনে করেন—পৃথিবী যতই আধুনিক কিংবা ডিজিটাল হোক না কেন, নিজের মনের ভেতর যদি সুদৃঢ় পজিটিভিটি আর পারিবারিক ভালোবাসা থাকে, তবে যেকোনো উথাল-পাথাল ঝড়কেই শান্ত সাগরে পরিণত করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন