যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনার প্রতিবাদে যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন 'জাতীয় যুবশক্তি'। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁসের দায়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং সকল নিয়োগে মেধার মূল্যায়নের জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালনকালে সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
ঘেরাও কর্মসূচিতে বক্তব্য প্রদানকালে জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেন, "বর্তমান সরকার তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে কোনো কার্যকর রূপরেখা দেখাতে পারেনি। সাধারণ তরুণদের চাকরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর বাধ্য হয়ে নির্ভর করতে হচ্ছে।" পরীক্ষার আগের রাতেই প্রশ্নফাঁসের তথ্য সামনে আসার পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ফরহাদ সোহেল বলেন, "বাংলাদেশের যুবসমাজকে নিয়ে বারবার ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগের ভিত্তি নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে।" এ সময় তিনি পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে চাকরিপ্রত্যাশী যুবকদের হয়রানি অনতিবিলম্বে বন্ধের দাবি জানান।
জাতীয় যুবশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ মাত্র ২৪২টি শূন্য পদের বিপরীতে ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থীর আবেদনের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বলেন, "যুবসমাজের পেটে লাথি দিয়ে তাদের অধিকার নিয়ে খেলবেন না। সন্দেহ হয়, অভ্যন্তরীণ ভাগবাটোয়ারায় গণ্ডগোল লাগায় প্রশ্নফাঁসের কথা প্রকাশ্যে এসেছে, নয়তো এই দুর্নীতি ধামাচাপা পড়ে যেত।"
ঘেরাও কর্মসূচি শেষে সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেন। দাবিগুলো হলো:
১. যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের অবিলম্বে পদত্যাগ।
২. প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি প্রদান।
৩. নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম বন্ধ করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা।
৪. ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি ও ভাইভার নম্বরের কারসাজি বন্ধ করা।
৫. বেকার যুবকদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়নে সরকারের স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনার প্রতিবাদে যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন 'জাতীয় যুবশক্তি'। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁসের দায়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং সকল নিয়োগে মেধার মূল্যায়নের জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালনকালে সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
ঘেরাও কর্মসূচিতে বক্তব্য প্রদানকালে জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেন, "বর্তমান সরকার তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে কোনো কার্যকর রূপরেখা দেখাতে পারেনি। সাধারণ তরুণদের চাকরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর বাধ্য হয়ে নির্ভর করতে হচ্ছে।" পরীক্ষার আগের রাতেই প্রশ্নফাঁসের তথ্য সামনে আসার পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ফরহাদ সোহেল বলেন, "বাংলাদেশের যুবসমাজকে নিয়ে বারবার ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগের ভিত্তি নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে।" এ সময় তিনি পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে চাকরিপ্রত্যাশী যুবকদের হয়রানি অনতিবিলম্বে বন্ধের দাবি জানান।
জাতীয় যুবশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ মাত্র ২৪২টি শূন্য পদের বিপরীতে ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থীর আবেদনের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বলেন, "যুবসমাজের পেটে লাথি দিয়ে তাদের অধিকার নিয়ে খেলবেন না। সন্দেহ হয়, অভ্যন্তরীণ ভাগবাটোয়ারায় গণ্ডগোল লাগায় প্রশ্নফাঁসের কথা প্রকাশ্যে এসেছে, নয়তো এই দুর্নীতি ধামাচাপা পড়ে যেত।"
ঘেরাও কর্মসূচি শেষে সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেন। দাবিগুলো হলো:
১. যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের অবিলম্বে পদত্যাগ।
২. প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি প্রদান।
৩. নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম বন্ধ করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা।
৪. ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি ও ভাইভার নম্বরের কারসাজি বন্ধ করা।
৫. বেকার যুবকদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়নে সরকারের স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা।

আপনার মতামত লিখুন