আগামী ১০ অক্টোবর ভারতের জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র বহুল আলোচিত 'যন্তর মন্তর ২.০' প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে সমগ্র শহর। বিপুল সংখ্যক নারী আন্দোলনকারীর যোগদানের আগাম তথ্যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দিল্লি পুলিশ অতিরিক্ত ১১ হাজার কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) মোতায়েন করছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০০ জন নারী সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত ৫টি সম্পূর্ণ নারী কোম্পানি রয়েছে।
নতুন এই অতিরিক্ত বাহিনীর যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে দিল্লিতে সিএপিএফ সদস্যের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ২৬ হাজারে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার পর ভারতের রাজধানীতে এটিই সর্ববৃহৎ সামরিক বলয় তৈরির ঘটনা। পাশাপাশি বর্তমানে দায়িত্বে থাকা ৫ হাজার পুলিশ সদস্যের সাথে অতিরিক্ত সদস্য যুক্ত করে নিউ দিল্লি এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ১৫ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পূর্ববর্তী প্রতিবাদ কর্মসূচিগুলোতে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। তাই ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভে নারী আন্দোলনকারীদের সম্ভাব্য ঢল সামলাতেই আধা-সামরিক বাহিনীর অতিরিক্ত নারী সদস্য মাঠে নামানোর এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সমাবেশ প্রতিরোধে আইনি ও সামাজিক কৌশলগত পদক্ষেপও গ্রহণ করছে দিল্লি পুলিশ। আন্দোলন থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে রাখতে পেয়িং গেস্ট (পিজি) মালিক ও রেসিডেন্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনগুলোর (আরডব্লিউএ) মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে। এতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নিউ দিল্লি জেলায় 'ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা'-এর ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকায় যেকোনো ধরনের জমায়েত বা বিক্ষোভ আইনিভাবে অবৈধ।
একই সাথে আন্দোলনকারীদের রাজধানীতে প্রবেশ আটকাতে পূর্ব দিল্লি ও শাহদারা সংলগ্ন উত্তর প্রদেশ সীমান্ত, দ্বারকা সংলগ্ন হরিয়ানা সীমান্ত এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লি সংলগ্ন রাজস্থান সীমান্তে বিশেষ ব্যারিকেড বসিয়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
আগামী ১০ অক্টোবর ভারতের জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র বহুল আলোচিত 'যন্তর মন্তর ২.০' প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে সমগ্র শহর। বিপুল সংখ্যক নারী আন্দোলনকারীর যোগদানের আগাম তথ্যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দিল্লি পুলিশ অতিরিক্ত ১১ হাজার কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) মোতায়েন করছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০০ জন নারী সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত ৫টি সম্পূর্ণ নারী কোম্পানি রয়েছে।
নতুন এই অতিরিক্ত বাহিনীর যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে দিল্লিতে সিএপিএফ সদস্যের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ২৬ হাজারে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার পর ভারতের রাজধানীতে এটিই সর্ববৃহৎ সামরিক বলয় তৈরির ঘটনা। পাশাপাশি বর্তমানে দায়িত্বে থাকা ৫ হাজার পুলিশ সদস্যের সাথে অতিরিক্ত সদস্য যুক্ত করে নিউ দিল্লি এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ১৫ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পূর্ববর্তী প্রতিবাদ কর্মসূচিগুলোতে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। তাই ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভে নারী আন্দোলনকারীদের সম্ভাব্য ঢল সামলাতেই আধা-সামরিক বাহিনীর অতিরিক্ত নারী সদস্য মাঠে নামানোর এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সমাবেশ প্রতিরোধে আইনি ও সামাজিক কৌশলগত পদক্ষেপও গ্রহণ করছে দিল্লি পুলিশ। আন্দোলন থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে রাখতে পেয়িং গেস্ট (পিজি) মালিক ও রেসিডেন্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনগুলোর (আরডব্লিউএ) মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে। এতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নিউ দিল্লি জেলায় 'ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা'-এর ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকায় যেকোনো ধরনের জমায়েত বা বিক্ষোভ আইনিভাবে অবৈধ।
একই সাথে আন্দোলনকারীদের রাজধানীতে প্রবেশ আটকাতে পূর্ব দিল্লি ও শাহদারা সংলগ্ন উত্তর প্রদেশ সীমান্ত, দ্বারকা সংলগ্ন হরিয়ানা সীমান্ত এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লি সংলগ্ন রাজস্থান সীমান্তে বিশেষ ব্যারিকেড বসিয়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন