ভুয়া প্রমাণ তৈরি করে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনে সহায়তার অভিযোগে সন্দেহভাজন একটি অপরাধী চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিবাসীদের কাছ থেকে ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৪ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত নিয়ে সাজানো ছবি, জাল নথি ও মনগড়া প্রমাণ সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার লন্ডনের বিভিন্ন ঠিকানায় অভিযান চালিয়ে জালিয়াতি ও অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করেন। অভিযানে ফোন, গয়না ও হাজার হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে অবস্থানের সন্দেহে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফৌজদারি তদন্ত বিভাগের আঞ্চলিক প্রধান ক্রিস ফস্টার জানান, পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলভিত্তিক 'আপনজন' নামের একটি বাংলাদেশি এলজিবিটি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পৃথক আশ্রয় আবেদনে ভুয়া দাবির তদন্তের অংশ হিসেবে এসব গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, অপরাধীরা 'আপনজন'-এর প্যাডে তৈরি ভুয়া প্রত্যয়নপত্র, সমকামী হিসেবে দেখানোর সাজানো ছবি ও ভূয়া সম্পর্কের চিঠি সরবরাহ করত। বর্তমানে চক্রটির সাথে সংশ্লিষ্ট শতাধিক আশ্রয় আবেদন পর্যালোচনা করছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইতোপূর্বে বিবিসির একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে 'উস্টার এলজিবিটি' নামের আরেকটি সামাজিক সংগঠন ও পরামর্শকদের বিরুদ্ধে একই ধরনের ভুয়া প্যাকেজ সরবরাহের অভিযোগ উঠেছিল।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নিপীড়নের মিথ্যা দাবি করে আশ্রয় ব্যবস্থার অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জালিয়াতি প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও দেশ থেকে বহিষ্কারের মুখোমুখি হতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ভুয়া প্রমাণ তৈরি করে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনে সহায়তার অভিযোগে সন্দেহভাজন একটি অপরাধী চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিবাসীদের কাছ থেকে ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৪ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত নিয়ে সাজানো ছবি, জাল নথি ও মনগড়া প্রমাণ সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার লন্ডনের বিভিন্ন ঠিকানায় অভিযান চালিয়ে জালিয়াতি ও অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করেন। অভিযানে ফোন, গয়না ও হাজার হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে অবস্থানের সন্দেহে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফৌজদারি তদন্ত বিভাগের আঞ্চলিক প্রধান ক্রিস ফস্টার জানান, পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলভিত্তিক 'আপনজন' নামের একটি বাংলাদেশি এলজিবিটি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পৃথক আশ্রয় আবেদনে ভুয়া দাবির তদন্তের অংশ হিসেবে এসব গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, অপরাধীরা 'আপনজন'-এর প্যাডে তৈরি ভুয়া প্রত্যয়নপত্র, সমকামী হিসেবে দেখানোর সাজানো ছবি ও ভূয়া সম্পর্কের চিঠি সরবরাহ করত। বর্তমানে চক্রটির সাথে সংশ্লিষ্ট শতাধিক আশ্রয় আবেদন পর্যালোচনা করছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইতোপূর্বে বিবিসির একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে 'উস্টার এলজিবিটি' নামের আরেকটি সামাজিক সংগঠন ও পরামর্শকদের বিরুদ্ধে একই ধরনের ভুয়া প্যাকেজ সরবরাহের অভিযোগ উঠেছিল।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নিপীড়নের মিথ্যা দাবি করে আশ্রয় ব্যবস্থার অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জালিয়াতি প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও দেশ থেকে বহিষ্কারের মুখোমুখি হতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন