চলতি বছরের আগস্ট মাসে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান মিলে গঠিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে’ যোগ দিতে ছয়টিরও বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, ত্রিপক্ষীয় এই সামরিক চুক্তিটি সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক। তবে নতুন কোনো দেশকে এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে উদ্যোক্তা তিন দেশ—তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সর্বসম্মত অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।
উল্লেখ্য, গত আগস্টে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মধ্যে এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির বিধান অনুযায়ী, সদস্য তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর কোনো আক্রমণ হলে তা জোটভুক্ত সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এদিকে, খুব দ্রুতই এই প্রতিরক্ষা জোটের উচ্চপর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানেরা উপস্থিত থাকবেন। সম্প্রতি সৌদি আরবের ওপর ইয়ামেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার প্রেক্ষাপটে এই রিয়াদ বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আরও জানান, সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে ইরান জানিয়েছে যে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে হুথিদের সংঘাতের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চায়। একই সঙ্গে হুথি ও ইরাকি মিলিশিয়াদের সঙ্গে নিজেদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে তেহরান। জবাবে ইসহাক দার স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে মিত্র সৌদি আরব ও চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
চলতি বছরের আগস্ট মাসে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান মিলে গঠিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে’ যোগ দিতে ছয়টিরও বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, ত্রিপক্ষীয় এই সামরিক চুক্তিটি সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক। তবে নতুন কোনো দেশকে এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে উদ্যোক্তা তিন দেশ—তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সর্বসম্মত অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।
উল্লেখ্য, গত আগস্টে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মধ্যে এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির বিধান অনুযায়ী, সদস্য তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর কোনো আক্রমণ হলে তা জোটভুক্ত সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এদিকে, খুব দ্রুতই এই প্রতিরক্ষা জোটের উচ্চপর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানেরা উপস্থিত থাকবেন। সম্প্রতি সৌদি আরবের ওপর ইয়ামেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার প্রেক্ষাপটে এই রিয়াদ বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আরও জানান, সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে ইরান জানিয়েছে যে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে হুথিদের সংঘাতের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চায়। একই সঙ্গে হুথি ও ইরাকি মিলিশিয়াদের সঙ্গে নিজেদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে তেহরান। জবাবে ইসহাক দার স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে মিত্র সৌদি আরব ও চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আপনার মতামত লিখুন