‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’র আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক ও কৌশলগত সহায়তার পথ খুঁজতে দেশটির পাশাপাশি পাকিস্তান ও তুরস্কের সেনাপ্রধানদের একটি জরুরি বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির বরাতে ডিবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে সৌদি আরবের স্থায়ী মিশনের সদর দপ্তরে এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল সামরিক চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সৌদি আরবকে সহায়তার উদ্দেশ্যে তিন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের (চিফস অব স্টাফ) আসন্ন যৌথ বৈঠকের প্রস্তুতি পর্যালোচনার ব্যবস্থা করা। চুক্তির ধারা অনুযায়ী, অন্তর্ভুক্ত যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা জোটভুক্ত সব দেশের ওপর হামলা বলে গণ্য হবে।
বৈঠকে পবিত্র নগরী মক্কা এবং সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে যেকোনো আক্রমণাত্মক প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানো এবং অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এছাড়া সমুদ্রপথে নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়েও সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’র আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক ও কৌশলগত সহায়তার পথ খুঁজতে দেশটির পাশাপাশি পাকিস্তান ও তুরস্কের সেনাপ্রধানদের একটি জরুরি বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির বরাতে ডিবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে সৌদি আরবের স্থায়ী মিশনের সদর দপ্তরে এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল সামরিক চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সৌদি আরবকে সহায়তার উদ্দেশ্যে তিন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের (চিফস অব স্টাফ) আসন্ন যৌথ বৈঠকের প্রস্তুতি পর্যালোচনার ব্যবস্থা করা। চুক্তির ধারা অনুযায়ী, অন্তর্ভুক্ত যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা জোটভুক্ত সব দেশের ওপর হামলা বলে গণ্য হবে।
বৈঠকে পবিত্র নগরী মক্কা এবং সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে যেকোনো আক্রমণাত্মক প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানো এবং অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এছাড়া সমুদ্রপথে নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়েও সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন