কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সমাজে যে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে, তা মোকাবেলার জন্য বিশ্বের কোনো সরকারই পর্যাপ্ত প্রস্তুত নয় বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। এআইয়ের ঝুঁকি ও বৈশ্বিক প্রভাব নিয়ে রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
দীঘদিন ধরে এআই সম্ভাবনার ভক্ত হলেও সাক্ষাৎকারে এআই প্রযুক্তির কারণে চাকরির বাজারে অস্থিরতা, অপব্যবহার করে সাইবার হামলার ঝুঁকি এবং এআই সঙ্গীর ওপর মানুষের অতিরিক্ত নির্ভরতার বিষয়ে স সতর্ক বার্তা দেন তিনি। গেটস বলেন, “আমি মনে করি না কোনো সরকারই এই বিষয়টি নিয়ে যতটা গভীরভাবে কাজ করা দরকার, ততটা করছে”। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এআইয়ের দ্রুত বিকাশ হলিউডের সিনেমার সেই ভিনগ্রহের প্রাণীদের আক্রমণের মতো, যা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ বিশ্বনেতাদের নিজেদের বৈরিতা ভুলে এক হয়ে কাজ করা উচিত। ইতিমধ্যেই এআই নিয়ে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং চলতি বছরের শেষ দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে জানান।
এদিকে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ঘোষণা দিয়েছে, আগামী দুই বছরে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি খাতে এআই প্রযুক্তি সহজলভ্য করতে অন্তত ১০০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৪০০ কোটি রিঙ্গিত) ব্যয় করবে। এই বিনিয়োগের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও ধনী দেশের মধ্যে যেন প্রযুক্তিগত বৈষম্য তৈরি না হয় এবং এআই যেন বিশ্ব স্বাস্থ্য ও টিকা গবেষণায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
একই সাক্ষাৎকারে প্রয়াত ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে অতীতে নিজের যোগাযোগ ও ব্ল্যাকমেইলের শিকার হওয়ার স্মৃতি নিয়ে কথা বলেন গেটস। এ নিয়ে একাধিকবার দুঃখ প্রকাশ করে তিনি জানান, সাম্প্রতিক স্বাধীন পর্যালোচনায় এ বিষয়ে ফাউন্ডেশনের কোনো আর্থিক অনিয়ম পাওয়া যায়নি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার ও তার দাতব্য সংস্থার ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রয়েছে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সমাজে যে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে, তা মোকাবেলার জন্য বিশ্বের কোনো সরকারই পর্যাপ্ত প্রস্তুত নয় বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। এআইয়ের ঝুঁকি ও বৈশ্বিক প্রভাব নিয়ে রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
দীঘদিন ধরে এআই সম্ভাবনার ভক্ত হলেও সাক্ষাৎকারে এআই প্রযুক্তির কারণে চাকরির বাজারে অস্থিরতা, অপব্যবহার করে সাইবার হামলার ঝুঁকি এবং এআই সঙ্গীর ওপর মানুষের অতিরিক্ত নির্ভরতার বিষয়ে স সতর্ক বার্তা দেন তিনি। গেটস বলেন, “আমি মনে করি না কোনো সরকারই এই বিষয়টি নিয়ে যতটা গভীরভাবে কাজ করা দরকার, ততটা করছে”। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এআইয়ের দ্রুত বিকাশ হলিউডের সিনেমার সেই ভিনগ্রহের প্রাণীদের আক্রমণের মতো, যা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ বিশ্বনেতাদের নিজেদের বৈরিতা ভুলে এক হয়ে কাজ করা উচিত। ইতিমধ্যেই এআই নিয়ে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং চলতি বছরের শেষ দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে জানান।
এদিকে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ঘোষণা দিয়েছে, আগামী দুই বছরে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি খাতে এআই প্রযুক্তি সহজলভ্য করতে অন্তত ১০০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৪০০ কোটি রিঙ্গিত) ব্যয় করবে। এই বিনিয়োগের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও ধনী দেশের মধ্যে যেন প্রযুক্তিগত বৈষম্য তৈরি না হয় এবং এআই যেন বিশ্ব স্বাস্থ্য ও টিকা গবেষণায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
একই সাক্ষাৎকারে প্রয়াত ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে অতীতে নিজের যোগাযোগ ও ব্ল্যাকমেইলের শিকার হওয়ার স্মৃতি নিয়ে কথা বলেন গেটস। এ নিয়ে একাধিকবার দুঃখ প্রকাশ করে তিনি জানান, সাম্প্রতিক স্বাধীন পর্যালোচনায় এ বিষয়ে ফাউন্ডেশনের কোনো আর্থিক অনিয়ম পাওয়া যায়নি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার ও তার দাতব্য সংস্থার ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন