ইতালিতে সফরকালে চরম হেনস্তা ও হামলার শিকার হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় এই শিল্পীর ওপর হামলাকারীরা বোতলজাত পানি, কোমল পানীয় ও ডিম ছুড়ে মারে এবং তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাঁধনের দাবি অনুযায়ী, আক্রমণকারীরা কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ইতালি শাখার নেতাকর্মী।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে অভিনেত্রী জানান, অতর্কিত এই হামলার সময় আক্রমণকারীরা তাঁর হাত থেকে ব্যবহৃত মুঠোফোনটি কেড়ে নিয়ে আছড়ে ফেলে দেয়। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ঘটনার সময় বাঁধনের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের অবুঝ শিশুসন্তান উপস্থিত ছিল, যা পুরো পরিবেশকে আরও আতঙ্কজনক করে তোলে। ঘটনার আকস্মিকতা সামলে উঠে তিনি ইতালি ইমিগ্রেশন ও স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে উপস্থিত হয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইনি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
হামলার পটভূমি উল্লেখ করে বাঁধন স্পষ্ট করেন যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে তাঁর সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে সুবিধাবাদী গোষ্ঠীটি পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি একজন শিল্পীর ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি ও সংস্কৃতিপাড়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইতালিতে সফরকালে চরম হেনস্তা ও হামলার শিকার হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় এই শিল্পীর ওপর হামলাকারীরা বোতলজাত পানি, কোমল পানীয় ও ডিম ছুড়ে মারে এবং তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাঁধনের দাবি অনুযায়ী, আক্রমণকারীরা কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ইতালি শাখার নেতাকর্মী।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে অভিনেত্রী জানান, অতর্কিত এই হামলার সময় আক্রমণকারীরা তাঁর হাত থেকে ব্যবহৃত মুঠোফোনটি কেড়ে নিয়ে আছড়ে ফেলে দেয়। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ঘটনার সময় বাঁধনের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের অবুঝ শিশুসন্তান উপস্থিত ছিল, যা পুরো পরিবেশকে আরও আতঙ্কজনক করে তোলে। ঘটনার আকস্মিকতা সামলে উঠে তিনি ইতালি ইমিগ্রেশন ও স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে উপস্থিত হয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইনি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
হামলার পটভূমি উল্লেখ করে বাঁধন স্পষ্ট করেন যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে তাঁর সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে সুবিধাবাদী গোষ্ঠীটি পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি একজন শিল্পীর ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি ও সংস্কৃতিপাড়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন