ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পরবর্তী আয়োজন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক প্রথম আলোচনা সভা সম্পন্ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্বাচনী প্রাথমিক প্রস্তুতি, আবাসিক হলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সক্রিয় ছাত্রসংগঠনগুলোর সঙ্গে পর্যায়ক্রমে সংলাপে বসার নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে আবাসিক হলগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে প্রভোস্টদের প্রতিবেদন দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সব অংশীজন, সক্রিয় ছাত্রসংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সঙ্গে বিস্তারিত বৈঠকের পরেই নির্বাচনের চূড়ান্ত কৌশল নির্ধারণ করা হবে। তবে এ বৈঠকে নির্বাচনের সময়সূচি বা তফসিল সংক্রান্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ডাকসুর সংবিধানের ৬(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেয়াদ এক বছর (৩৬৫ দিন)। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ আরও ৯০ দিন অথবা নতুন নির্বাচন পর্যন্ত (যা আগে ঘটে) বর্তমান কমিটি বহাল থাকতে পারে, অন্যথায় কমিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে। বর্তমান ডাকসু কমিটি বিগত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করায় আগামী ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন নির্বাচনের বিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পরবর্তী আয়োজন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক প্রথম আলোচনা সভা সম্পন্ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্বাচনী প্রাথমিক প্রস্তুতি, আবাসিক হলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সক্রিয় ছাত্রসংগঠনগুলোর সঙ্গে পর্যায়ক্রমে সংলাপে বসার নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে আবাসিক হলগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে প্রভোস্টদের প্রতিবেদন দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সব অংশীজন, সক্রিয় ছাত্রসংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সঙ্গে বিস্তারিত বৈঠকের পরেই নির্বাচনের চূড়ান্ত কৌশল নির্ধারণ করা হবে। তবে এ বৈঠকে নির্বাচনের সময়সূচি বা তফসিল সংক্রান্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ডাকসুর সংবিধানের ৬(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেয়াদ এক বছর (৩৬৫ দিন)। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ আরও ৯০ দিন অথবা নতুন নির্বাচন পর্যন্ত (যা আগে ঘটে) বর্তমান কমিটি বহাল থাকতে পারে, অন্যথায় কমিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে। বর্তমান ডাকসু কমিটি বিগত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করায় আগামী ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন নির্বাচনের বিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন