দিকপাল

বগুড়ায় হচ্ছে দুটি নতুন নদীবন্দর


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ | ০৩:৫৫ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ায় হচ্ছে দুটি নতুন নদীবন্দর

দেশের উত্তরাঞ্চলের নৌযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ এবং নদীবন্দরভিত্তিক আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে যমুনা নদীর তীরে দুটি নতুন নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার। গত বুধবার (৮ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই দুই নতুন নদীবন্দরের আনুষ্ঠানিক সীমানা নির্ধারণ ও গেজেট প্রকাশ করেছে।

নতুন ঘোষিত এই দুটি নদীবন্দর হলো—বগুড়া জেলার 'সারিয়াকান্দি নদীবন্দর' এবং বগুড়া-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের 'ধুনট নদীবন্দর'। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পোর্ট অ্যাক্ট ১৯০৮ (Port Act 1908)-এর ধারা ৪-এর উপধারা (১)-এর দফা (ক) এবং উপধারা (২)-এর ক্ষমতাবলে এই দুটি নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনি প্রয়োগ কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের উত্তর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের দিঘাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে কাজলা ইউনিয়নের জামথল ঘাট পর্যন্ত। আর এর দক্ষিণ সীমানা বিস্তৃত হয়েছে চন্দনবাইশার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে নারপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত। এই বন্দরের আওতায় দিঘাপাড়া, কালিতলা, মধুরাপাড়া, জামথল ও সোনাদগা ঘাটসহ বিদ্যমান সব খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

অন্যদিকে, ধুনট নদীবন্দরের উত্তর সীমানা শুরু হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট এলাকা থেকে। এর দক্ষিণ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকুরিয়া হাট সংলগ্ন যমুনা নদী হয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের চৌবার মৌজার বেশাঘীর চর পর্যন্ত। এই বন্দরের আওতায় চন্দনবাইশা ও শহরাবাড়ি ঘাটসহ বিদ্যমান সব খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, উভয় নদীবন্দরের ক্ষেত্রেই নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরাকালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়া নৌপথের সুষম উন্নয়ন, জেটি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে এই নির্ধারিত বন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো ব্যক্তিমালিকানাধীন বা প্রাতিষ্ঠানিক স্থাপনা থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬


বগুড়ায় হচ্ছে দুটি নতুন নদীবন্দর

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬

featured Image

দেশের উত্তরাঞ্চলের নৌযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ এবং নদীবন্দরভিত্তিক আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে যমুনা নদীর তীরে দুটি নতুন নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার। গত বুধবার (৮ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই দুই নতুন নদীবন্দরের আনুষ্ঠানিক সীমানা নির্ধারণ ও গেজেট প্রকাশ করেছে।

নতুন ঘোষিত এই দুটি নদীবন্দর হলো—বগুড়া জেলার 'সারিয়াকান্দি নদীবন্দর' এবং বগুড়া-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের 'ধুনট নদীবন্দর'। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পোর্ট অ্যাক্ট ১৯০৮ (Port Act 1908)-এর ধারা ৪-এর উপধারা (১)-এর দফা (ক) এবং উপধারা (২)-এর ক্ষমতাবলে এই দুটি নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনি প্রয়োগ কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের উত্তর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের দিঘাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে কাজলা ইউনিয়নের জামথল ঘাট পর্যন্ত। আর এর দক্ষিণ সীমানা বিস্তৃত হয়েছে চন্দনবাইশার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে নারপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত। এই বন্দরের আওতায় দিঘাপাড়া, কালিতলা, মধুরাপাড়া, জামথল ও সোনাদগা ঘাটসহ বিদ্যমান সব খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

অন্যদিকে, ধুনট নদীবন্দরের উত্তর সীমানা শুরু হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট এলাকা থেকে। এর দক্ষিণ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকুরিয়া হাট সংলগ্ন যমুনা নদী হয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের চৌবার মৌজার বেশাঘীর চর পর্যন্ত। এই বন্দরের আওতায় চন্দনবাইশা ও শহরাবাড়ি ঘাটসহ বিদ্যমান সব খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, উভয় নদীবন্দরের ক্ষেত্রেই নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরাকালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়া নৌপথের সুষম উন্নয়ন, জেটি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে এই নির্ধারিত বন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো ব্যক্তিমালিকানাধীন বা প্রাতিষ্ঠানিক স্থাপনা থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল