অন্য পুরুষকে বিয়ে করায় ক্ষুব্ধ ও বিপর্যস্ত হয়ে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীর বাড়িতে ঢুকে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক প্রেমিকের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ভারতের বেঙ্গালুরুর রামগোন্দনাহাল্লি এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। আহত তরুণীর নাম নন্দিনী দাস। এই ঘটনার পর অভিযুক্ত যুবক বন্দে নেওয়াজ (১৮) নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত নন্দিনী ও অভিযুক্ত বন্দে নেওয়াজ একটি বেসরকারি স্কুলে একসঙ্গে পড়াশোনা করতেন এবং গত তিন বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সম্প্রতি নন্দিনী অন্য একজনকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় নেওয়াজ চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
ঘটনার দিন সকালে নন্দিনীর বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন না। এই সুযোগে অভিযুক্ত নেওয়াজ তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে নন্দিনীর দুই ছোট ভাইকে একটি ঘরের ভেতর আটকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেয়। এরপর ড্রয়িংরুমে একা পেয়ে নন্দিনীর ঘাড়, হাত, পাঁজর ও উরুতে ধারালো ছুরি দিয়ে একের পর এক আঘাত করতে থাকে। রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় নন্দিনী কোনোমতে ঘর থেকে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় নন্দিনী ও আত্মহত্যার চেষ্টাকারী নেওয়াজকে উদ্ধার করে আলাদা দুটি হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে নন্দিনী বেঙ্গালুরুর মণিপাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং নেওয়াজকে বৈদেহী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নেওয়াজ পেশায় একজন চালক এবং তিনি হোয়াইটফিল্ড এলাকায় কাজ করতেন। এই ঘটনায় হোয়াইটফিল্ড থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার বিষয়ে আরও তদন্ত চালাচ্ছে।
বেঙ্গালুরুতে প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে এই ধরনের নৃশংস ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে গত জুন মাসের ২৮ তারিখেও প্রায় একই রকম একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে রাজীব নামের এক যুবক তার ২৩ বছর বয়সী প্রেমিকা অঞ্জলিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। ৩ থেকে ৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও রাজীবের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডের কারণে অঞ্জলির পরিবার এই বিয়েতে রাজি ছিল না। পরিবারের চাপে অঞ্জলি রাজীবকে এড়িয়ে চলতে শুরু করলে ক্ষিপ্ত হয়ে রাজীব তার ঘাড়ে ছুরি চালিয়ে দেন, যার ফলে হাসপাতালে অঞ্জলির মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযুক্ত রাজীবকে গ্রেপ্তার করে।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
অন্য পুরুষকে বিয়ে করায় ক্ষুব্ধ ও বিপর্যস্ত হয়ে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীর বাড়িতে ঢুকে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক প্রেমিকের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ভারতের বেঙ্গালুরুর রামগোন্দনাহাল্লি এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। আহত তরুণীর নাম নন্দিনী দাস। এই ঘটনার পর অভিযুক্ত যুবক বন্দে নেওয়াজ (১৮) নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত নন্দিনী ও অভিযুক্ত বন্দে নেওয়াজ একটি বেসরকারি স্কুলে একসঙ্গে পড়াশোনা করতেন এবং গত তিন বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সম্প্রতি নন্দিনী অন্য একজনকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় নেওয়াজ চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
ঘটনার দিন সকালে নন্দিনীর বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন না। এই সুযোগে অভিযুক্ত নেওয়াজ তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে নন্দিনীর দুই ছোট ভাইকে একটি ঘরের ভেতর আটকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেয়। এরপর ড্রয়িংরুমে একা পেয়ে নন্দিনীর ঘাড়, হাত, পাঁজর ও উরুতে ধারালো ছুরি দিয়ে একের পর এক আঘাত করতে থাকে। রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় নন্দিনী কোনোমতে ঘর থেকে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় নন্দিনী ও আত্মহত্যার চেষ্টাকারী নেওয়াজকে উদ্ধার করে আলাদা দুটি হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে নন্দিনী বেঙ্গালুরুর মণিপাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং নেওয়াজকে বৈদেহী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নেওয়াজ পেশায় একজন চালক এবং তিনি হোয়াইটফিল্ড এলাকায় কাজ করতেন। এই ঘটনায় হোয়াইটফিল্ড থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার বিষয়ে আরও তদন্ত চালাচ্ছে।
বেঙ্গালুরুতে প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে এই ধরনের নৃশংস ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে গত জুন মাসের ২৮ তারিখেও প্রায় একই রকম একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে রাজীব নামের এক যুবক তার ২৩ বছর বয়সী প্রেমিকা অঞ্জলিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। ৩ থেকে ৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও রাজীবের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডের কারণে অঞ্জলির পরিবার এই বিয়েতে রাজি ছিল না। পরিবারের চাপে অঞ্জলি রাজীবকে এড়িয়ে চলতে শুরু করলে ক্ষিপ্ত হয়ে রাজীব তার ঘাড়ে ছুরি চালিয়ে দেন, যার ফলে হাসপাতালে অঞ্জলির মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযুক্ত রাজীবকে গ্রেপ্তার করে।

আপনার মতামত লিখুন