অপ্রতিদ্বন্দ্বী ফ্রান্স! আবারও তাদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দলটি। বৃহস্পতিবার রাতে বোস্টন স্টেডিয়ামে মরক্কোর স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে ২-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে ফ্রান্স। আর এই জয়ের মাধ্যমেই তারা ঘোষণা করে দিল—শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে তারা কতটা মরিয়া।
ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই মাঠের দখল ছিল ফ্রান্সের কাছে। মরক্কোর রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে একের পর এক আক্রমণে ফরাসিরা বুঝিয়ে দেয়, কোয়ার্টার ফাইনালের এই লড়াইয়ে তারা কোনো ছাড় দিতে রাজি নয়।
পুরো ম্যাচে মরক্কো কার্যত কোণঠাসা ছিল। ফ্রান্সের নিখুঁত পাসিং, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং ফরোয়ার্ড লাইনের বিধ্বংসী আক্রমণের সামনে মরক্কোর ডিফেন্ডাররা কোনো কূল-কিনারা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। প্রতিপক্ষের কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি ম্যাচ শেষে পরাজয় মেনে নিয়ে জানান, "ফ্রান্স আমাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। তাদের প্রতিটি মুভমেন্ট ছিল গোলের জন্য ক্ষুধার্ত।"
এই জয় ফ্রান্সকে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপে পৌঁছে দিল, যেখানে তাদের মুখোমুখি হতে হবে স্পেন অথবা বেলজিয়ামের। জয়ের ধারায় থাকা ফ্রান্সের জন্য সেমিফাইনালের লড়াই এখন নতুন উত্তাপ ছড়াচ্ছে।
সেমিফাইনালে উঠে আসার মাধ্যমে ফ্রান্স প্রমাণ করল, তারা কেবল খেলার মাঠে আধিপত্য বিস্তার করছে না, বরং প্রতিটি ম্যাচ খেলে নিজেদের আত্মবিশ্বাসকে নিয়ে যাচ্ছে এক অনন্য উচ্চতায়। সমর্থকরা ইতিমধ্যেই ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেই চিরচেনা রূপ দেখতে পাচ্ছেন।
মরক্কোর কোচ ওয়াহবি অকপটে স্বীকার করেছেন, "ফ্রান্সের বর্তমান দলটির প্রতিটি খেলোয়াড় দুর্দান্ত। তাদের খেলার ধরন এবং জয়ের মানসিকতা—সবকিছুই প্রমাণ করে তারা এই ট্রফি জেতার জন্যই এসেছে।"
এখন পুরো ফুটবল বিশ্বের চোখ সেমিফাইনালের দিকে। ফ্রান্স কি পারবে তাদের এই অপরাজেয় ফর্ম ধরে রেখে চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছাতে? উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই!
সূত্র: রয়টার্স

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
অপ্রতিদ্বন্দ্বী ফ্রান্স! আবারও তাদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দলটি। বৃহস্পতিবার রাতে বোস্টন স্টেডিয়ামে মরক্কোর স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে ২-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে ফ্রান্স। আর এই জয়ের মাধ্যমেই তারা ঘোষণা করে দিল—শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে তারা কতটা মরিয়া।
ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই মাঠের দখল ছিল ফ্রান্সের কাছে। মরক্কোর রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে একের পর এক আক্রমণে ফরাসিরা বুঝিয়ে দেয়, কোয়ার্টার ফাইনালের এই লড়াইয়ে তারা কোনো ছাড় দিতে রাজি নয়।
পুরো ম্যাচে মরক্কো কার্যত কোণঠাসা ছিল। ফ্রান্সের নিখুঁত পাসিং, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং ফরোয়ার্ড লাইনের বিধ্বংসী আক্রমণের সামনে মরক্কোর ডিফেন্ডাররা কোনো কূল-কিনারা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। প্রতিপক্ষের কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি ম্যাচ শেষে পরাজয় মেনে নিয়ে জানান, "ফ্রান্স আমাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। তাদের প্রতিটি মুভমেন্ট ছিল গোলের জন্য ক্ষুধার্ত।"
এই জয় ফ্রান্সকে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপে পৌঁছে দিল, যেখানে তাদের মুখোমুখি হতে হবে স্পেন অথবা বেলজিয়ামের। জয়ের ধারায় থাকা ফ্রান্সের জন্য সেমিফাইনালের লড়াই এখন নতুন উত্তাপ ছড়াচ্ছে।
সেমিফাইনালে উঠে আসার মাধ্যমে ফ্রান্স প্রমাণ করল, তারা কেবল খেলার মাঠে আধিপত্য বিস্তার করছে না, বরং প্রতিটি ম্যাচ খেলে নিজেদের আত্মবিশ্বাসকে নিয়ে যাচ্ছে এক অনন্য উচ্চতায়। সমর্থকরা ইতিমধ্যেই ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেই চিরচেনা রূপ দেখতে পাচ্ছেন।
মরক্কোর কোচ ওয়াহবি অকপটে স্বীকার করেছেন, "ফ্রান্সের বর্তমান দলটির প্রতিটি খেলোয়াড় দুর্দান্ত। তাদের খেলার ধরন এবং জয়ের মানসিকতা—সবকিছুই প্রমাণ করে তারা এই ট্রফি জেতার জন্যই এসেছে।"
এখন পুরো ফুটবল বিশ্বের চোখ সেমিফাইনালের দিকে। ফ্রান্স কি পারবে তাদের এই অপরাজেয় ফর্ম ধরে রেখে চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছাতে? উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই!
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন