দিকপাল

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আত্মসমর্পণ ৩ বনদস্যুর


মোঃ রফিকুল ইসলাম
মোঃ রফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ | ০৪:০২ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আত্মসমর্পণ ৩ বনদস্যুর

সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত দল ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’-র তিন সক্রিয় সদস্য অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যোগাযোগ সরঞ্জামসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় তাদের ডেরায় জিম্মি থাকা এক জেলেকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে কোস্ট গার্ড বাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কোস্ট গার্ডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূল ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড বর্তমানে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করছে। এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা থানার তাম্বুলবুনিয়া ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কলামুলি খালে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা আত্মসমর্পণ করে।

আত্মসমর্পণকারী তিন বনদস্যু হলেন—বাগেরহাটের মোংলার আলামিন হোসেন (৪০), সাতক্ষীরার তালার তৈবুর রহমান (২৪) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার মনিরুজ্জামান মামুন (২০)। আত্মসমর্পণকালে তারা কোস্ট গার্ডের কাছে দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, একটি পাইপগান, ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ (গোলাবারুদ) এবং একটি ওয়াকিটকি জমা দেন।

কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে চলমান এই বিশেষ অভিযানগুলোতে ব্যাপক সাফল্য এসেছে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানে মোট ৪৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে ৪২ জন বনদস্যুকে আটক এবং ৪১ জন জিম্মি জেলে ও বনজীবীকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্ট গার্ড আরও জানায়, এর আগে সুন্দরবনের অন্যতম সক্রিয় ‘ছোট সুমন বাহিনী’-র সাত সদস্যও একইভাবে কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। সুন্দরবনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে এই চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬


সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আত্মসমর্পণ ৩ বনদস্যুর

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত দল ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’-র তিন সক্রিয় সদস্য অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যোগাযোগ সরঞ্জামসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় তাদের ডেরায় জিম্মি থাকা এক জেলেকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে কোস্ট গার্ড বাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কোস্ট গার্ডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূল ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড বর্তমানে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করছে। এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা থানার তাম্বুলবুনিয়া ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কলামুলি খালে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা আত্মসমর্পণ করে।

আত্মসমর্পণকারী তিন বনদস্যু হলেন—বাগেরহাটের মোংলার আলামিন হোসেন (৪০), সাতক্ষীরার তালার তৈবুর রহমান (২৪) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার মনিরুজ্জামান মামুন (২০)। আত্মসমর্পণকালে তারা কোস্ট গার্ডের কাছে দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, একটি পাইপগান, ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ (গোলাবারুদ) এবং একটি ওয়াকিটকি জমা দেন।

কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে চলমান এই বিশেষ অভিযানগুলোতে ব্যাপক সাফল্য এসেছে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানে মোট ৪৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে ৪২ জন বনদস্যুকে আটক এবং ৪১ জন জিম্মি জেলে ও বনজীবীকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্ট গার্ড আরও জানায়, এর আগে সুন্দরবনের অন্যতম সক্রিয় ‘ছোট সুমন বাহিনী’-র সাত সদস্যও একইভাবে কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। সুন্দরবনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে এই চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল