বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বৈরী আবহাওয়া ও তীব্র ঢেউয়ের কবলে পড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তবে দুর্ঘটনার পর ট্রলারের অংশ ও বয়া আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা ৫ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
গত রবিবার (৫ জুলাই) রাত ১০টার দিকে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা উপকূল থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে গভীর বঙ্গোপসাগরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
উদ্ধার হওয়া জেলে বাইজিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাঙ্গাবালীর পানপট্টি ইউনিয়নের খরিদা গ্রামের বাসিন্দা ইমাদুল সিকদারের মালিকানাধীন একটি ট্রলারে করে মোট ১১ জন জেলে গত শনিবার রাতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সাগরে রওনা হন। পরদিন রবিবার রাত ১০টার দিকে সাগরে হঠাৎ তীব্র স্রোত ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর জেলেরা সাগরে ভেসে থাকা ট্রলারের ভাঙা অংশ এবং একটি বয়া আঁকড়ে ধরে প্রায় ৫ ঘণ্টা সাগরে ভাসমান অবস্থায় টিকে থাকেন। পরবর্তীতে রাত ৩টার দিকে একই এলাকার ইমাম সিকদারের মালিকানাধীন আরেকটি মাছ ধরার ট্রলার ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় সাগরে ভাসতে থাকা ৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন ইমাদুল সিকদার (৪০), মো. বাইজিদ (৩০), মো. নাজমুল (৩০), মো. রাকিব (২২) ও মো. সজীব (২৫)। তাঁদের মধ্যে আহত জেলে বাইজিদকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর সাগরে তলিয়ে গিয়ে এখনো যে ৬ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন, তাঁরা হলেন পানপট্টি ইউনিয়নের তুলারাম গ্রামের ইমাদুল খা (৪৫), খরিদা গ্রামের মো. হারুন (৬০), গজালিয়া ইউনিয়নের আদানী গ্রামের মো. ফোরকান (৪৫), মো. সায়েদ (২০), আল আমিন (৪০) এবং গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের মো. আকাশ (২৫)।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক সংবাদমাধ্যমকে জানান, ট্রলারডুবির এই অনাকাঙ্ক্ষিত খবর পাওয়ার পর পরই কলাপাড়া উপজেলা ও রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সমন্বয় করা হচ্ছে। সাগরে নিখোঁজ থাকা বাকি ৬ জন জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করার জন্য বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের একটি দল ইতিমধ্যেই সাগরে বিশেষ উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বৈরী আবহাওয়া ও তীব্র ঢেউয়ের কবলে পড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তবে দুর্ঘটনার পর ট্রলারের অংশ ও বয়া আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা ৫ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
গত রবিবার (৫ জুলাই) রাত ১০টার দিকে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা উপকূল থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে গভীর বঙ্গোপসাগরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
উদ্ধার হওয়া জেলে বাইজিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাঙ্গাবালীর পানপট্টি ইউনিয়নের খরিদা গ্রামের বাসিন্দা ইমাদুল সিকদারের মালিকানাধীন একটি ট্রলারে করে মোট ১১ জন জেলে গত শনিবার রাতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সাগরে রওনা হন। পরদিন রবিবার রাত ১০টার দিকে সাগরে হঠাৎ তীব্র স্রোত ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর জেলেরা সাগরে ভেসে থাকা ট্রলারের ভাঙা অংশ এবং একটি বয়া আঁকড়ে ধরে প্রায় ৫ ঘণ্টা সাগরে ভাসমান অবস্থায় টিকে থাকেন। পরবর্তীতে রাত ৩টার দিকে একই এলাকার ইমাম সিকদারের মালিকানাধীন আরেকটি মাছ ধরার ট্রলার ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় সাগরে ভাসতে থাকা ৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন ইমাদুল সিকদার (৪০), মো. বাইজিদ (৩০), মো. নাজমুল (৩০), মো. রাকিব (২২) ও মো. সজীব (২৫)। তাঁদের মধ্যে আহত জেলে বাইজিদকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর সাগরে তলিয়ে গিয়ে এখনো যে ৬ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন, তাঁরা হলেন পানপট্টি ইউনিয়নের তুলারাম গ্রামের ইমাদুল খা (৪৫), খরিদা গ্রামের মো. হারুন (৬০), গজালিয়া ইউনিয়নের আদানী গ্রামের মো. ফোরকান (৪৫), মো. সায়েদ (২০), আল আমিন (৪০) এবং গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের মো. আকাশ (২৫)।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক সংবাদমাধ্যমকে জানান, ট্রলারডুবির এই অনাকাঙ্ক্ষিত খবর পাওয়ার পর পরই কলাপাড়া উপজেলা ও রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সমন্বয় করা হচ্ছে। সাগরে নিখোঁজ থাকা বাকি ৬ জন জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করার জন্য বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের একটি দল ইতিমধ্যেই সাগরে বিশেষ উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন