সরকারি যেকোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন এবং বিলবোর্ডে এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ রবিবার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক বিশেষ পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রশাসনের সর্বস্তরে এই নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড তৈরির সময় ব্যক্তিগত প্রচারের চেয়ে অনুষ্ঠানের মূল বিষয়বস্তুকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে। সেখানে কেবল প্রয়োজনীয়, প্রাসঙ্গিক এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্যই উপস্থাপন করা যাবে। নকশা বা ডিজাইন এমনভাবে করতে হবে যাতে করে অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য, বার্তা এবং এর অন্তর্নিহিত বিষয়বস্তু সাধারণ মানুষের কাছে সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। কোনো ধরনের বাড়তি বা অপ্রাসঙ্গিক অলংকরণ পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে নেওয়া এই সিদ্ধান্তটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একই সঙ্গে এই নির্দেশনা অনতিবিলম্বে অর্থাৎ আজ থেকেই কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সরকারি দপ্তর এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে এই আদেশ কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে। সাধারণত ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং রাষ্ট্রীয় আয়োজনে ব্যক্তিপূজার সংস্কৃতি বন্ধ করতেই এই নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
সরকারি যেকোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন এবং বিলবোর্ডে এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ রবিবার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক বিশেষ পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রশাসনের সর্বস্তরে এই নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড তৈরির সময় ব্যক্তিগত প্রচারের চেয়ে অনুষ্ঠানের মূল বিষয়বস্তুকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে। সেখানে কেবল প্রয়োজনীয়, প্রাসঙ্গিক এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্যই উপস্থাপন করা যাবে। নকশা বা ডিজাইন এমনভাবে করতে হবে যাতে করে অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য, বার্তা এবং এর অন্তর্নিহিত বিষয়বস্তু সাধারণ মানুষের কাছে সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। কোনো ধরনের বাড়তি বা অপ্রাসঙ্গিক অলংকরণ পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে নেওয়া এই সিদ্ধান্তটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একই সঙ্গে এই নির্দেশনা অনতিবিলম্বে অর্থাৎ আজ থেকেই কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সরকারি দপ্তর এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে এই আদেশ কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে। সাধারণত ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং রাষ্ট্রীয় আয়োজনে ব্যক্তিপূজার সংস্কৃতি বন্ধ করতেই এই নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন