বাংলাদেশের আকাশে ওড়ার অপেক্ষায় কি চীনের তৈরি অত্যাধুনিক ‘জে-১০সিই’ ফাইটার জেট? আর বেইজিংয়ের প্রস্তাবিত ‘চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর’ কি সত্যিই আলোর মুখ দেখছে? ঢাকার এই সম্ভাব্য দুই সামরিক ও কৌশলগত চাল নিয়ে এবার চরম অস্বস্তিতে পড়েছে ভারত। খোদ নয়াদিল্লিই স্বীকার করেছে, বাংলাদেশের এসব পদক্ষেপের ওপর তারা অত্যন্ত কড়া এবং তীক্ষ্ণ নজর রাখছে।
গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। সাংবাদিকদের সরাসরি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর যেকোনো ধরনের সামরিক, কৌশলগত বা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর ভারত সবসময়ই চোখ কান খোলা রাখে।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী অঞ্চলে এই ধরণের যা কিছু ঘটছে, তার সবকিছুর ওপর আমরা নিবিড়ভাবে নজর রাখছি। ভারতের জাতীয় স্বার্থ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য যখন যা প্রয়োজন, আমরা সেই অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।” ভারতের এই চটজলদি এবং কড়া প্রতিক্রিয়া থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ঢাকার এই সম্ভাব্য সামরিক আধুনিকীকরণকে তারা কতটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
প্রতিরক্ষা ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের বিমান বাহিনীকে আধুনিক করার অংশ হিসেবে চীনের এই 'ফোর-প্লাস' জেনারেশনের ফাইটার জেট কেনার আলোচনা এবং বেইজিংয়ের প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডোরকে ভারত তাদের নিজেদের কৌশলগত বলয়ের জন্য বড় ধরণের 'রেড অ্যালার্ট' হিসেবে বিবেচনা করছে। আর সেই কারণেই কূটনীতির চেনা পরিভাষা ভেঙে দিল্লির এমন খোলসছাড়া আনুষ্ঠানিক বক্তব্য। ঢাকার এই চালের জবাবে ভারত এখন কী পাল্টা চাল চালবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের আকাশে ওড়ার অপেক্ষায় কি চীনের তৈরি অত্যাধুনিক ‘জে-১০সিই’ ফাইটার জেট? আর বেইজিংয়ের প্রস্তাবিত ‘চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর’ কি সত্যিই আলোর মুখ দেখছে? ঢাকার এই সম্ভাব্য দুই সামরিক ও কৌশলগত চাল নিয়ে এবার চরম অস্বস্তিতে পড়েছে ভারত। খোদ নয়াদিল্লিই স্বীকার করেছে, বাংলাদেশের এসব পদক্ষেপের ওপর তারা অত্যন্ত কড়া এবং তীক্ষ্ণ নজর রাখছে।
গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। সাংবাদিকদের সরাসরি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর যেকোনো ধরনের সামরিক, কৌশলগত বা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর ভারত সবসময়ই চোখ কান খোলা রাখে।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী অঞ্চলে এই ধরণের যা কিছু ঘটছে, তার সবকিছুর ওপর আমরা নিবিড়ভাবে নজর রাখছি। ভারতের জাতীয় স্বার্থ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য যখন যা প্রয়োজন, আমরা সেই অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।” ভারতের এই চটজলদি এবং কড়া প্রতিক্রিয়া থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ঢাকার এই সম্ভাব্য সামরিক আধুনিকীকরণকে তারা কতটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
প্রতিরক্ষা ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের বিমান বাহিনীকে আধুনিক করার অংশ হিসেবে চীনের এই 'ফোর-প্লাস' জেনারেশনের ফাইটার জেট কেনার আলোচনা এবং বেইজিংয়ের প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডোরকে ভারত তাদের নিজেদের কৌশলগত বলয়ের জন্য বড় ধরণের 'রেড অ্যালার্ট' হিসেবে বিবেচনা করছে। আর সেই কারণেই কূটনীতির চেনা পরিভাষা ভেঙে দিল্লির এমন খোলসছাড়া আনুষ্ঠানিক বক্তব্য। ঢাকার এই চালের জবাবে ভারত এখন কী পাল্টা চাল চালবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন