চলতি অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মোট রাজস্ব আদায় ৪ লাখ কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। আজ শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, গত চার মাসে এনবিআরের সার্বিক কার্যক্রমে যে অভূতপূর্ব গতিশীলতা এসেছে, মূলত তার ওপর ভর করেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন সম্ভব হতে যাচ্ছে।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, রাজস্ব খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সামনে বেশ কিছু নতুন ও আধুনিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। এসব সময়োপযোগী উদ্যোগ পুরোপুরি কার্যকর হলে আগামী অর্থবছরে বর্তমানের চেয়ে অতিরিক্ত আরও ২ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হবে বলে সরকার দৃঢ়ভাবে আশা করছে।
দেশের বর্তমান ঋণ পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক চাপ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী অকপটে বলেন, সরকার চাইলেই রাতারাতি ঋণের এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। এর বড় কারণ হলো, আগের সরকারের নেওয়া বিপুল পরিমাণ ঋণের সুদ পরিশোধের বিশাল দায় বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।
জোনায়েদ সাকি উল্লেখ করেন, ঋণ গ্রহণ ও ঘাটতি বাজেট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন কোনো বিষয় নয়। বিগত ২০১২ সালে নেওয়া অনেকগুলো মেগা উন্নয়ন প্রকল্প এখনও চলমান রয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে সেগুলো শেষ করার সম্পূর্ণ আর্থিক দায়িত্ব বর্তমান সরকারের ওপর এসে পড়েছে। তবে এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে সরকার ধীরে ধীরে ঋণনির্ভরতা কমানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমেই বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার মূল লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
চলতি অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মোট রাজস্ব আদায় ৪ লাখ কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। আজ শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, গত চার মাসে এনবিআরের সার্বিক কার্যক্রমে যে অভূতপূর্ব গতিশীলতা এসেছে, মূলত তার ওপর ভর করেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন সম্ভব হতে যাচ্ছে।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, রাজস্ব খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সামনে বেশ কিছু নতুন ও আধুনিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। এসব সময়োপযোগী উদ্যোগ পুরোপুরি কার্যকর হলে আগামী অর্থবছরে বর্তমানের চেয়ে অতিরিক্ত আরও ২ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হবে বলে সরকার দৃঢ়ভাবে আশা করছে।
দেশের বর্তমান ঋণ পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক চাপ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী অকপটে বলেন, সরকার চাইলেই রাতারাতি ঋণের এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। এর বড় কারণ হলো, আগের সরকারের নেওয়া বিপুল পরিমাণ ঋণের সুদ পরিশোধের বিশাল দায় বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।
জোনায়েদ সাকি উল্লেখ করেন, ঋণ গ্রহণ ও ঘাটতি বাজেট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন কোনো বিষয় নয়। বিগত ২০১২ সালে নেওয়া অনেকগুলো মেগা উন্নয়ন প্রকল্প এখনও চলমান রয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে সেগুলো শেষ করার সম্পূর্ণ আর্থিক দায়িত্ব বর্তমান সরকারের ওপর এসে পড়েছে। তবে এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে সরকার ধীরে ধীরে ঋণনির্ভরতা কমানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমেই বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার মূল লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন