চলতি আম মৌসুমে আম চাষি, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের আর্থিক লেনদেন সহজ করতে রাজশাহী বিভাগের চার জেলার ব্যাংকগুলো প্রতি শনিবার খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ শনিবার (২৭ জুন) থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও এই বিশেষ ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুনের এই ভরা মৌসুমে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ (শিবগঞ্জ, সদর, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা), নওগাঁ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা), রাজশাহী ও নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী আমের বড় বড় বাজার গড়ে উঠেছে। এসব বাজারে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার নগদ লেনদেন হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আমবাজার সংলগ্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে নগদ অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও জমা নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বহন ও সংরক্ষণজনিত নিরাপত্তা ঝুঁকি দূর করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে। ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এই নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে আমের মৌসুমকে কেন্দ্র করে এই সময়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যাপক জোয়ার আসে। প্রতিদিন শত শত ট্রাক আম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায় এবং এর বিপরীতে বড় অঙ্কের নগদ টাকার লেনদেন হয়। ছুটির দিনে ব্যাংক বন্ধ থাকলে ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ টাকা নিজেদের কাছে রাখতে হতো, যা চুরির বা ছিনতাইয়ের ঝুঁকি তৈরি করত। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে ব্যবসায়ীরা আম বিক্রির টাকা সরাসরি ব্যাংকে জমা করতে পারবেন, যা মৌসুমী এই ব্যবসার গতিশীলতা ধরে রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় আম চাষি ও ব্যবসায়ী নেতারা।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
চলতি আম মৌসুমে আম চাষি, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের আর্থিক লেনদেন সহজ করতে রাজশাহী বিভাগের চার জেলার ব্যাংকগুলো প্রতি শনিবার খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ শনিবার (২৭ জুন) থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও এই বিশেষ ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুনের এই ভরা মৌসুমে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ (শিবগঞ্জ, সদর, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা), নওগাঁ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা), রাজশাহী ও নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী আমের বড় বড় বাজার গড়ে উঠেছে। এসব বাজারে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার নগদ লেনদেন হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আমবাজার সংলগ্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে নগদ অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও জমা নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বহন ও সংরক্ষণজনিত নিরাপত্তা ঝুঁকি দূর করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে। ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এই নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে আমের মৌসুমকে কেন্দ্র করে এই সময়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যাপক জোয়ার আসে। প্রতিদিন শত শত ট্রাক আম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায় এবং এর বিপরীতে বড় অঙ্কের নগদ টাকার লেনদেন হয়। ছুটির দিনে ব্যাংক বন্ধ থাকলে ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ টাকা নিজেদের কাছে রাখতে হতো, যা চুরির বা ছিনতাইয়ের ঝুঁকি তৈরি করত। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে ব্যবসায়ীরা আম বিক্রির টাকা সরাসরি ব্যাংকে জমা করতে পারবেন, যা মৌসুমী এই ব্যবসার গতিশীলতা ধরে রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় আম চাষি ও ব্যবসায়ী নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন