দিকপাল

পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামে বাড়ছে তিস্তার পানি: বন্যার আশঙ্কা


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ | ১১:৫৪ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামে বাড়ছে তিস্তার পানি: বন্যার আশঙ্কা

পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামে তিস্তাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে লালমনিরহাটে, যেখানে তিস্তার পানি কমে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় উজানের পাহাড়ি ঢল কুড়িগ্রামের তিস্তা অববাহিকায় প্রবেশ করছে। এর ফলে নদীতীরবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কুড়িগ্রামের ধরলা ও দুধকুমার নদের পানিও দ্রুত বেড়ে বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।

অন্যদিকে, লালমনিরহাটে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত রাত থেকে তিস্তার পানি কমতে শুরু করেছে। গতকাল সন্ধ্যায় তিস্তার পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও, আজ সকালে তা আরও কমে ৩৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নিচু এলাকাগুলো থেকে পানি নেমে যেতে শুরু করায় চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, চরাঞ্চল প্লাবিত হলেও বর্তমানে ফসলের মাঠ তলিয়ে না থাকায় বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কা নেই।

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পূর্বাভাস অনুযায়ী, উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নদ-নদীর পানি পর্যবেক্ষণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬


পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামে বাড়ছে তিস্তার পানি: বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image

পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামে তিস্তাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে লালমনিরহাটে, যেখানে তিস্তার পানি কমে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় উজানের পাহাড়ি ঢল কুড়িগ্রামের তিস্তা অববাহিকায় প্রবেশ করছে। এর ফলে নদীতীরবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কুড়িগ্রামের ধরলা ও দুধকুমার নদের পানিও দ্রুত বেড়ে বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।

অন্যদিকে, লালমনিরহাটে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত রাত থেকে তিস্তার পানি কমতে শুরু করেছে। গতকাল সন্ধ্যায় তিস্তার পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও, আজ সকালে তা আরও কমে ৩৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নিচু এলাকাগুলো থেকে পানি নেমে যেতে শুরু করায় চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, চরাঞ্চল প্লাবিত হলেও বর্তমানে ফসলের মাঠ তলিয়ে না থাকায় বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কা নেই।

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পূর্বাভাস অনুযায়ী, উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নদ-নদীর পানি পর্যবেক্ষণ করছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল