ভবিষ্যৎ মহামারি ও সংক্রামক ব্যাধির প্রকোপ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার এখন থেকেই সুদূরপ্রসারী প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতের সুরক্ষায় বিশেষ বরাদ্দ ও পরিকল্পনা যুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এই তথ্য জানান।
সেমিনারে স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি গুরুত্বারোপ করে বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে কেবল চিকিৎসকদের ওপর নির্ভরশীল করে রাখলে দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাওয়া সম্ভব নয়। দক্ষ জনবলের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নার্স এবং মিডওয়াইফদের ভূমিকা অপরিহার্য। তবে বর্তমানে এই জনশক্তির যে তীব্র সংকট রয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে বর্তমানের চেয়ে অন্তত তিন থেকে পাঁচ শতাংশ হারে এই জনবল বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এছাড়া দেশের চিকিৎসক বিতরণে বিদ্যমান অসমতার বিষয়টিও তার বক্তব্যে উঠে আসে। ডা. মুহিত উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, দেশের মোট চিকিৎসকের প্রায় ৮০ শতাংশই শহরাঞ্চলে অবস্থান করছেন, অথচ দেশের মোট জনসংখ্যার সিংহভাগ অর্থাৎ ৮০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন। স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এবং বৈষম্য দূর করতে গ্রাম ও শহরের এই সেবাপ্রাপ্তির ব্যবধান কমিয়ে আনার ওপর তিনি জোর দেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে অধিকতর গণমুখী ও সুরক্ষিত করতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা স্বাস্থ্য সংকট তৈরি হলে যাতে তা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়, সেজন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর কাজ চলছে। গ্রামের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
ভবিষ্যৎ মহামারি ও সংক্রামক ব্যাধির প্রকোপ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার এখন থেকেই সুদূরপ্রসারী প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতের সুরক্ষায় বিশেষ বরাদ্দ ও পরিকল্পনা যুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এই তথ্য জানান।
সেমিনারে স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি গুরুত্বারোপ করে বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে কেবল চিকিৎসকদের ওপর নির্ভরশীল করে রাখলে দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাওয়া সম্ভব নয়। দক্ষ জনবলের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নার্স এবং মিডওয়াইফদের ভূমিকা অপরিহার্য। তবে বর্তমানে এই জনশক্তির যে তীব্র সংকট রয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে বর্তমানের চেয়ে অন্তত তিন থেকে পাঁচ শতাংশ হারে এই জনবল বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এছাড়া দেশের চিকিৎসক বিতরণে বিদ্যমান অসমতার বিষয়টিও তার বক্তব্যে উঠে আসে। ডা. মুহিত উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, দেশের মোট চিকিৎসকের প্রায় ৮০ শতাংশই শহরাঞ্চলে অবস্থান করছেন, অথচ দেশের মোট জনসংখ্যার সিংহভাগ অর্থাৎ ৮০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন। স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এবং বৈষম্য দূর করতে গ্রাম ও শহরের এই সেবাপ্রাপ্তির ব্যবধান কমিয়ে আনার ওপর তিনি জোর দেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে অধিকতর গণমুখী ও সুরক্ষিত করতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা স্বাস্থ্য সংকট তৈরি হলে যাতে তা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়, সেজন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর কাজ চলছে। গ্রামের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন