মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার বিওসি কেছরিগুল সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে এবং অবৈধ পারাপার ঠেকাতে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিলেন বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, গত বুধবার আনুমানিক বেলা আড়াইটার দিকে ৫২ নম্বর দলের অধীনস্থ বিওসিটিলা সীমান্ত ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। টহল চলাকালে আন্তর্জাতিক সীমানা খুঁটি থেকে আনুমানিক তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাধবকুণ্ড নামক স্থান থেকে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তির নাম মো. আলী হুসেন, যার বয়স আনুমানিক বত্রিশ বছর। তার পিতার নাম সাব উদ্দিন। তিনি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার পাথারকান্দী থানার অন্তর্গত আসলকান্দী ডাকঘরের অধীন দক্ষিণ কেউটিগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।
আটকের পরপরই ওই ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা দিলে বাহিনীর সদস্যরা তাকে তল্লাশি করেন। তার কাছে থাকা মুঠোফোন এবং সঙ্গে বহন করা অন্যান্য নথিপত্র পরীক্ষা করে তার ভারতীয় নাগরিকত্বের বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ভারতের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদানকৃত নির্বাচনি পরিচয়পত্র, ভারতীয় আয়কর শনাক্তকরণ পত্র এবং সে দেশের নাগরিকত্বের প্রমাণস্বরূপ আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়। এই নথিপত্রগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তিনি ভারতের প্রকৃত নাগরিক এবং অবৈধ উপায়ে সীমান্ত অতিক্রম করেছেন।
এ বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৫২ নম্বর দলের অধিনায়ক আতাউর রহমান সুজন জানান, ওই ব্যক্তি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ভারত থেকে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি স্বীকার করেছেন যে, তিনি মূলত মুঠোফোনের পর্দা ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ সংক্রান্ত ব্যবসায়িক কাজের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে এসেছিলেন। তবে তার এই দাবির সত্যতা কতটুকু এবং এর পেছনে চোরাচালান বা অন্য কোনো অবৈধ উদ্দেশ্য আছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ব্যক্তির বিষয়ে অধিকতর যাচাই-বাছাই ও গোয়েন্দা অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সকল দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার বিওসি কেছরিগুল সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে এবং অবৈধ পারাপার ঠেকাতে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিলেন বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, গত বুধবার আনুমানিক বেলা আড়াইটার দিকে ৫২ নম্বর দলের অধীনস্থ বিওসিটিলা সীমান্ত ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। টহল চলাকালে আন্তর্জাতিক সীমানা খুঁটি থেকে আনুমানিক তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাধবকুণ্ড নামক স্থান থেকে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তির নাম মো. আলী হুসেন, যার বয়স আনুমানিক বত্রিশ বছর। তার পিতার নাম সাব উদ্দিন। তিনি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার পাথারকান্দী থানার অন্তর্গত আসলকান্দী ডাকঘরের অধীন দক্ষিণ কেউটিগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।
আটকের পরপরই ওই ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা দিলে বাহিনীর সদস্যরা তাকে তল্লাশি করেন। তার কাছে থাকা মুঠোফোন এবং সঙ্গে বহন করা অন্যান্য নথিপত্র পরীক্ষা করে তার ভারতীয় নাগরিকত্বের বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ভারতের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদানকৃত নির্বাচনি পরিচয়পত্র, ভারতীয় আয়কর শনাক্তকরণ পত্র এবং সে দেশের নাগরিকত্বের প্রমাণস্বরূপ আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়। এই নথিপত্রগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তিনি ভারতের প্রকৃত নাগরিক এবং অবৈধ উপায়ে সীমান্ত অতিক্রম করেছেন।
এ বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৫২ নম্বর দলের অধিনায়ক আতাউর রহমান সুজন জানান, ওই ব্যক্তি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ভারত থেকে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি স্বীকার করেছেন যে, তিনি মূলত মুঠোফোনের পর্দা ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ সংক্রান্ত ব্যবসায়িক কাজের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে এসেছিলেন। তবে তার এই দাবির সত্যতা কতটুকু এবং এর পেছনে চোরাচালান বা অন্য কোনো অবৈধ উদ্দেশ্য আছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ব্যক্তির বিষয়ে অধিকতর যাচাই-বাছাই ও গোয়েন্দা অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সকল দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন