যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ক্ষেত্রে নিজেদের বেঁধে দেওয়া স্বঘোষিত সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নিয়েছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) পক্ষ থেকে এই ঘোষণা আসার পর মধ্যপ্রাচ্যসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে ব্যাপক ভূরাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) তেহরানের সারচেশমে সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে আইআরজিসির মহাকাশ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের যেকোনো হুমকির ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই কঠোর জবাব দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছিলেন, যার ধারাবাহিকতায় আইআরজিসির এই ঘোষণা এল এবং এর ফলে তেহরান আরও দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের হাতে সরাসরি রয়েছে কি না সে বিষয়ে মুখ না খুললেও আইআরজিসি মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে বক্তব্যের চেয়ে তারা বাস্তবে এই সক্ষমতার প্রমাণ দেবেন, অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে ইরানের মহাকাশ কর্মসূচির প্রযুক্তি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে। এর মাঝেই হরমুজ প্রণালির পূর্বে সংকেত বন্ধ করে নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচলকারী একটি তেলবাহী ট্যাংকার নৌমাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তাতে আগুন ধরার খবর জানিয়েছে ইরানি সামরিক বাহিনী।
সূত্র: আইআরজিসি ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ক্ষেত্রে নিজেদের বেঁধে দেওয়া স্বঘোষিত সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নিয়েছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) পক্ষ থেকে এই ঘোষণা আসার পর মধ্যপ্রাচ্যসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে ব্যাপক ভূরাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) তেহরানের সারচেশমে সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে আইআরজিসির মহাকাশ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের যেকোনো হুমকির ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই কঠোর জবাব দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছিলেন, যার ধারাবাহিকতায় আইআরজিসির এই ঘোষণা এল এবং এর ফলে তেহরান আরও দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের হাতে সরাসরি রয়েছে কি না সে বিষয়ে মুখ না খুললেও আইআরজিসি মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে বক্তব্যের চেয়ে তারা বাস্তবে এই সক্ষমতার প্রমাণ দেবেন, অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে ইরানের মহাকাশ কর্মসূচির প্রযুক্তি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে। এর মাঝেই হরমুজ প্রণালির পূর্বে সংকেত বন্ধ করে নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচলকারী একটি তেলবাহী ট্যাংকার নৌমাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তাতে আগুন ধরার খবর জানিয়েছে ইরানি সামরিক বাহিনী।
সূত্র: আইআরজিসি ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম

আপনার মতামত লিখুন