দেশের অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক খাতের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করতে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ১৩টি নতুন ও সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
আজ বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) সচিবালয়ে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই মেগা প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে জানানো হয়, অনুমোদিত ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১১টি নতুন এবং বাকি দুটি সংশোধিত প্রকল্প। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন রয়েছে ৫০ হাজার ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা, বৈদেশিক প্রকল্প ঋণ ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৭৩ কোটি ৭ লাখ টাকা।
সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অর্থমন্ত্রী বা পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। সরকারের এই ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক পদক্ষেপে দেশের যোগাযোগ, জনসেবা ও অবকাঠামোগত খাতের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিষয় : একনেক

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
দেশের অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক খাতের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করতে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ১৩টি নতুন ও সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
আজ বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) সচিবালয়ে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই মেগা প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে জানানো হয়, অনুমোদিত ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১১টি নতুন এবং বাকি দুটি সংশোধিত প্রকল্প। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন রয়েছে ৫০ হাজার ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা, বৈদেশিক প্রকল্প ঋণ ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৭৩ কোটি ৭ লাখ টাকা।
সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অর্থমন্ত্রী বা পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। সরকারের এই ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক পদক্ষেপে দেশের যোগাযোগ, জনসেবা ও অবকাঠামোগত খাতের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন