ব্যস্তনগরীর স্বপন
গভীর ঘুমে নগরী
জেগে আছে নৈশপ্রহরী
নিস্তব্ধ রজনিকে সঙ্গ দিতে
নৈশপ্রহরীর মতো জেগে থাকে
অগণন বাতি।
গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন দেহ
মৃতের কাছাকাছি
স্মৃতির নয়ন স্বপনের গভীরে
দারুণ সময় কাটিয়ে দিচ্ছে
রাত জেগে জেগে।
স্বপনেরা দিনে ঘুমায় কি-না।
বালুচর
বালুচরে আঁকা ছবির মতো, তোমার সঙ্গ
সঙ্গমে সুখ কাঁপে তপ্তক্ষতের অঙ্গ,
শূন্য বিবেক, রিক্ত স্বপন থলি
ভাবের ঘোরে একলা চলি একলা চলি।
ভাবের তো নেই অভাব, গতরজুড়ে
বিনা দ্বিধায় যাচ্ছি আস্তাকুঁড়ে
কে আছিস? কে আছিস? কাছে-দূরে;
নষ্টের শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি, কত আগে
আমার কি আর সাজে, বীতরাগে,
সঙ্গ তোমার পাই না এখন আর
বালুচরে এখন আঁকি ছবি তোমার।
শিল্পের প্রয়োজনে
অনুর্বর জমিনে চাষাবাদে বৃক্ষ
শিল্পের প্রয়োজনে কবিতায় চাষ যৌনতা
সাহিত্যের দাবিতে জটিল শব্দের ঝনঝনানি
কাব্যের ভেতর বাহির।
উর্বর সাহিত্য কবিতার চাষাবাদ
জটিল ও জটিলতর ।
পাঠকের মন-মস্তিস্কের স্নায়ুচাপ
কী আসে কবির!
কবি মানে সাহিত্যের পুরোহিত।
কবি মানে যৌনশিল্পের মৌনচাষি।
তবুও প্রেম
আমার ফিরে আসা হবে না জেনেও
তুমি অপেক্ষায় থাকো
এ হলো প্রেম; আসে স্বর্গ থেকে
দুবেলা দুমুঠো ভাত এনে দেওয়ার
যোগ্যতা রাখি না জেনেও
তুমি অপেক্ষা করো একসাথে খাওয়ার
ঘন্টার পর ঘণ্টা খাবার টেবিলে।
আমার ফিরে আসা হবে না জেনে তা-ও
তুমি নির্ঘুম রাত কাটাও
নিঃসঙ্গ রাতকে সঙ্গ দাও
অথচ তোমার শরীরের রক্তচাপ যায় বেড়ে
মস্তিষ্কের এলোমেলো স্মৃতি নেয় কেড়ে।
হৃৎপিণ্ডের ধমনি বাজতে থাকে
অযোগ্য প্রেমিকের কাছে দিনরাত
আমার ফিরে আসা হবে না জেনেও
চোখের জলে দুঃখ লুকাও
স্বপ্ন খোঁজে সোহাগি দু-হাত।।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
ব্যস্তনগরীর স্বপন
গভীর ঘুমে নগরী
জেগে আছে নৈশপ্রহরী
নিস্তব্ধ রজনিকে সঙ্গ দিতে
নৈশপ্রহরীর মতো জেগে থাকে
অগণন বাতি।
গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন দেহ
মৃতের কাছাকাছি
স্মৃতির নয়ন স্বপনের গভীরে
দারুণ সময় কাটিয়ে দিচ্ছে
রাত জেগে জেগে।
স্বপনেরা দিনে ঘুমায় কি-না।
বালুচর
বালুচরে আঁকা ছবির মতো, তোমার সঙ্গ
সঙ্গমে সুখ কাঁপে তপ্তক্ষতের অঙ্গ,
শূন্য বিবেক, রিক্ত স্বপন থলি
ভাবের ঘোরে একলা চলি একলা চলি।
ভাবের তো নেই অভাব, গতরজুড়ে
বিনা দ্বিধায় যাচ্ছি আস্তাকুঁড়ে
কে আছিস? কে আছিস? কাছে-দূরে;
নষ্টের শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি, কত আগে
আমার কি আর সাজে, বীতরাগে,
সঙ্গ তোমার পাই না এখন আর
বালুচরে এখন আঁকি ছবি তোমার।
শিল্পের প্রয়োজনে
অনুর্বর জমিনে চাষাবাদে বৃক্ষ
শিল্পের প্রয়োজনে কবিতায় চাষ যৌনতা
সাহিত্যের দাবিতে জটিল শব্দের ঝনঝনানি
কাব্যের ভেতর বাহির।
উর্বর সাহিত্য কবিতার চাষাবাদ
জটিল ও জটিলতর ।
পাঠকের মন-মস্তিস্কের স্নায়ুচাপ
কী আসে কবির!
কবি মানে সাহিত্যের পুরোহিত।
কবি মানে যৌনশিল্পের মৌনচাষি।
তবুও প্রেম
আমার ফিরে আসা হবে না জেনেও
তুমি অপেক্ষায় থাকো
এ হলো প্রেম; আসে স্বর্গ থেকে
দুবেলা দুমুঠো ভাত এনে দেওয়ার
যোগ্যতা রাখি না জেনেও
তুমি অপেক্ষা করো একসাথে খাওয়ার
ঘন্টার পর ঘণ্টা খাবার টেবিলে।
আমার ফিরে আসা হবে না জেনে তা-ও
তুমি নির্ঘুম রাত কাটাও
নিঃসঙ্গ রাতকে সঙ্গ দাও
অথচ তোমার শরীরের রক্তচাপ যায় বেড়ে
মস্তিষ্কের এলোমেলো স্মৃতি নেয় কেড়ে।
হৃৎপিণ্ডের ধমনি বাজতে থাকে
অযোগ্য প্রেমিকের কাছে দিনরাত
আমার ফিরে আসা হবে না জেনেও
চোখের জলে দুঃখ লুকাও
স্বপ্ন খোঁজে সোহাগি দু-হাত।।

আপনার মতামত লিখুন