শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন ও কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে কাউসার হোসেন খান (২৭) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চারজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত ৫টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
আজ রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) বেলা ১২টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের জিরাবো এলাকার মন্ডল গ্রুপের কারখানার সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত কাউসার হোসাইন খান আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার ম্যাঙ্গো টেক্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিক ছিলেন। দুপুর ২টার দিকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার মো. ইউসুফ আলী তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আহতদের স্থানীয় পিএমকে হাসপাতাল ও সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, সকালে মন্ডল গ্রুপের শ্রমিকদের দাবিদাওয়া নিয়ে মালিকপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বৈঠক চলার সময় কারখানার বাইরে শ্রমিকরা জড়ো হন। এ সময় গুজব ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও গুলি চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক হতাহতের এটিই প্রথম ঘটনা।
এদিকে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বিজিএমইএ জানিয়েছে, নিহত শ্রমিকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে এবং শ্রম আইন অনুযায়ী তার সব পাওনা অতি দ্রুত পরিশোধ করা হবে। অপর এক ঘটনায় গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে পোশাক কারখানায় ভাঙচুরের অভিযোগে যৌথ বাহিনী ৮ জনকে আটক করেছে। বর্তমানে আশুলিয়া ও গাজীপুরের বেশিরভাগ কারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে এবং যেকোনো সহিংসতা এড়াতে যৌথ বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন ও কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে কাউসার হোসেন খান (২৭) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চারজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত ৫টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
আজ রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) বেলা ১২টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের জিরাবো এলাকার মন্ডল গ্রুপের কারখানার সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত কাউসার হোসাইন খান আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার ম্যাঙ্গো টেক্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিক ছিলেন। দুপুর ২টার দিকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার মো. ইউসুফ আলী তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আহতদের স্থানীয় পিএমকে হাসপাতাল ও সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, সকালে মন্ডল গ্রুপের শ্রমিকদের দাবিদাওয়া নিয়ে মালিকপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বৈঠক চলার সময় কারখানার বাইরে শ্রমিকরা জড়ো হন। এ সময় গুজব ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও গুলি চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক হতাহতের এটিই প্রথম ঘটনা।
এদিকে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বিজিএমইএ জানিয়েছে, নিহত শ্রমিকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে এবং শ্রম আইন অনুযায়ী তার সব পাওনা অতি দ্রুত পরিশোধ করা হবে। অপর এক ঘটনায় গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে পোশাক কারখানায় ভাঙচুরের অভিযোগে যৌথ বাহিনী ৮ জনকে আটক করেছে। বর্তমানে আশুলিয়া ও গাজীপুরের বেশিরভাগ কারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে এবং যেকোনো সহিংসতা এড়াতে যৌথ বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন