দিকপাল

লংমার্চের বদলে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আলোচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ০৬:০৪ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

লংমার্চের বদলে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আলোচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ছবি : সংগ্রহীত

সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজপথে লংমার্চ না করে আলোচনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, উচ্চকক্ষ গঠন করা হলে এর ক্ষমতা ও কার্যপরিধি কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। এ জন্য বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আলোচনায় আসতে হবে। লংমার্চ করে এসব বিষয়ে সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, উচ্চকক্ষ যদি পিআর পদ্ধতিতে হয়, তবে এর ক্ষমতা ও এখতিয়ার কী হবে, তা আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। নোট অব ডিসেন্ট শিথিল করতে এবং আইন প্রণয়নে দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে বিরোধী দলকে কমিটিতে এসে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি বিগত সময়ের বিভিন্ন আদেশ ও রাজনৈতিক সমঝোতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আদেশ জারি করে সংবিধান স্পর্শ করার চেয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা ও অঙ্গীকার অনেক বেশি কার্যকর।

অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচারকদের স্বাধীনতার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বভৌমত্বের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, নির্বাচিত আইনসভাই জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬


লংমার্চের বদলে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আলোচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজপথে লংমার্চ না করে আলোচনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, উচ্চকক্ষ গঠন করা হলে এর ক্ষমতা ও কার্যপরিধি কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। এ জন্য বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আলোচনায় আসতে হবে। লংমার্চ করে এসব বিষয়ে সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, উচ্চকক্ষ যদি পিআর পদ্ধতিতে হয়, তবে এর ক্ষমতা ও এখতিয়ার কী হবে, তা আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। নোট অব ডিসেন্ট শিথিল করতে এবং আইন প্রণয়নে দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে বিরোধী দলকে কমিটিতে এসে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি বিগত সময়ের বিভিন্ন আদেশ ও রাজনৈতিক সমঝোতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আদেশ জারি করে সংবিধান স্পর্শ করার চেয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা ও অঙ্গীকার অনেক বেশি কার্যকর।

অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচারকদের স্বাধীনতার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বভৌমত্বের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, নির্বাচিত আইনসভাই জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল