সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজপথে লংমার্চ না করে আলোচনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, উচ্চকক্ষ গঠন করা হলে এর ক্ষমতা ও কার্যপরিধি কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। এ জন্য বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আলোচনায় আসতে হবে। লংমার্চ করে এসব বিষয়ে সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, উচ্চকক্ষ যদি পিআর পদ্ধতিতে হয়, তবে এর ক্ষমতা ও এখতিয়ার কী হবে, তা আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। নোট অব ডিসেন্ট শিথিল করতে এবং আইন প্রণয়নে দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে বিরোধী দলকে কমিটিতে এসে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি বিগত সময়ের বিভিন্ন আদেশ ও রাজনৈতিক সমঝোতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আদেশ জারি করে সংবিধান স্পর্শ করার চেয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা ও অঙ্গীকার অনেক বেশি কার্যকর।
অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচারকদের স্বাধীনতার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বভৌমত্বের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, নির্বাচিত আইনসভাই জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজপথে লংমার্চ না করে আলোচনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, উচ্চকক্ষ গঠন করা হলে এর ক্ষমতা ও কার্যপরিধি কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। এ জন্য বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আলোচনায় আসতে হবে। লংমার্চ করে এসব বিষয়ে সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, উচ্চকক্ষ যদি পিআর পদ্ধতিতে হয়, তবে এর ক্ষমতা ও এখতিয়ার কী হবে, তা আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। নোট অব ডিসেন্ট শিথিল করতে এবং আইন প্রণয়নে দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে বিরোধী দলকে কমিটিতে এসে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি বিগত সময়ের বিভিন্ন আদেশ ও রাজনৈতিক সমঝোতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আদেশ জারি করে সংবিধান স্পর্শ করার চেয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা ও অঙ্গীকার অনেক বেশি কার্যকর।
অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচারকদের স্বাধীনতার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বভৌমত্বের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, নির্বাচিত আইনসভাই জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন