ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান গাদি আইজেনকোট—কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছেন না।
১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে গতকাল মঙ্গলবারের (২৭ অক্টোবর ২০২৬) এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বুথফেরত জরিপের প্রাথমিক প্রক্ষেপণে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর জোট আসন সংখ্যায় বিরোধী পক্ষের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও একটি স্থিতিশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেনি। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল-১২’-এর তথ্যমতে, ডানপন্থি নেতানিয়াহু জোটের জন্য এই ফলাফল বড় ধরনের এক ধাক্কা। নেসেটের আগের মেয়াদে যেখানে তাঁদের আসন ছিল ৬৮টি, সেখান থেকে বড় ধস নেমে তা ৫২টিতে নেমে আসার ইঙ্গিত মিলেছে।
অন্যদিকে, সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৯টি আসন পেতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক জরিপে ভালো ফলের বার্তা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দেশটির আরব দলগুলোর সমর্থকেরা; তাঁদের মতে, এবার পার্লামেন্টে রেকর্ডসংখ্যক আরব প্রতিনিধি যুক্ত হতে পারেন।
বুথফেরত সমীক্ষার আশানুরূপ ফল না পাওয়া সত্ত্বেও ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেন, এ ফলের ধারা প্রমাণ করে দেশের বড় অংশের জনগণ এখনো তাঁর ডানপন্থি জোটের ওপর আস্থা রাখছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ফলের জন্য অন্তত ৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে এবং চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরও সরকার গঠনে বিভিন্ন জোটের দীর্ঘ দর-কষাকষি শুরু হতে পারে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান গাদি আইজেনকোট—কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছেন না।
১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে গতকাল মঙ্গলবারের (২৭ অক্টোবর ২০২৬) এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বুথফেরত জরিপের প্রাথমিক প্রক্ষেপণে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর জোট আসন সংখ্যায় বিরোধী পক্ষের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও একটি স্থিতিশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেনি। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল-১২’-এর তথ্যমতে, ডানপন্থি নেতানিয়াহু জোটের জন্য এই ফলাফল বড় ধরনের এক ধাক্কা। নেসেটের আগের মেয়াদে যেখানে তাঁদের আসন ছিল ৬৮টি, সেখান থেকে বড় ধস নেমে তা ৫২টিতে নেমে আসার ইঙ্গিত মিলেছে।
অন্যদিকে, সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৯টি আসন পেতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক জরিপে ভালো ফলের বার্তা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দেশটির আরব দলগুলোর সমর্থকেরা; তাঁদের মতে, এবার পার্লামেন্টে রেকর্ডসংখ্যক আরব প্রতিনিধি যুক্ত হতে পারেন।
বুথফেরত সমীক্ষার আশানুরূপ ফল না পাওয়া সত্ত্বেও ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেন, এ ফলের ধারা প্রমাণ করে দেশের বড় অংশের জনগণ এখনো তাঁর ডানপন্থি জোটের ওপর আস্থা রাখছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ফলের জন্য অন্তত ৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে এবং চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরও সরকার গঠনে বিভিন্ন জোটের দীর্ঘ দর-কষাকষি শুরু হতে পারে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম

আপনার মতামত লিখুন