বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তীব্র সমালোচনা করে আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁর সম্মান পাওয়াটা এই দুই দলের অনেকে সহ্য করতে পারছেন না। একই সঙ্গে তিনি মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী ও জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের রাজনৈতিক রাজপথের আন্দোলন, বারবার আটক ও রিমান্ডে থাকার স্মৃতি এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। মো. তারেক অভিযোগ করে লেখেন, জামায়াত ও এনসিপির একাংশ তাঁকে হেয় করার অপচেষ্টায় লিপ্ত এবং তাঁর রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়া দেখে ঈর্ষান্বিত। একই পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক প্রসন্ন মন্তব্যের উল্লেখ করে জানান যে, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে সফরসঙ্গী হিসেবে সাথে রাখায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা উন্মুখ হয়ে উঠছে। এ ছাড়া তিনি অতীতে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে নিজের তীব্র আর্থিক সংকট, ক্ষুধা এবং বেঁচে থাকার প্রয়োজনে ফল ও মধু বিক্রির সংগ্রামের কথা খোলামেলাভাবে স্মরণ করেন।
রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় তিনি লিফলেট তৈরি থেকে শুরু করে একাধিকবার গুম ও ডিবি-ডিজিএফআইয়ের হাতে আটকের শিকার হন এবং ২০২৪ সালে ১০ দিনের রিমান্ড ভোগ করেন। জামায়াত আমিরের সাথে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার গোপন বৈঠকের খবর ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতার জন্য অস্থির হয়ে উঠেছে। একই সাথে জুলাই-পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা কারাগারে থাকলে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ তাঁর জামিন দেওয়ার জন্য আদালতের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক পোস্ট)

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তীব্র সমালোচনা করে আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁর সম্মান পাওয়াটা এই দুই দলের অনেকে সহ্য করতে পারছেন না। একই সঙ্গে তিনি মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী ও জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের রাজনৈতিক রাজপথের আন্দোলন, বারবার আটক ও রিমান্ডে থাকার স্মৃতি এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। মো. তারেক অভিযোগ করে লেখেন, জামায়াত ও এনসিপির একাংশ তাঁকে হেয় করার অপচেষ্টায় লিপ্ত এবং তাঁর রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়া দেখে ঈর্ষান্বিত। একই পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক প্রসন্ন মন্তব্যের উল্লেখ করে জানান যে, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে সফরসঙ্গী হিসেবে সাথে রাখায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা উন্মুখ হয়ে উঠছে। এ ছাড়া তিনি অতীতে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে নিজের তীব্র আর্থিক সংকট, ক্ষুধা এবং বেঁচে থাকার প্রয়োজনে ফল ও মধু বিক্রির সংগ্রামের কথা খোলামেলাভাবে স্মরণ করেন।
রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় তিনি লিফলেট তৈরি থেকে শুরু করে একাধিকবার গুম ও ডিবি-ডিজিএফআইয়ের হাতে আটকের শিকার হন এবং ২০২৪ সালে ১০ দিনের রিমান্ড ভোগ করেন। জামায়াত আমিরের সাথে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার গোপন বৈঠকের খবর ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতার জন্য অস্থির হয়ে উঠেছে। একই সাথে জুলাই-পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা কারাগারে থাকলে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ তাঁর জামিন দেওয়ার জন্য আদালতের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক পোস্ট)

আপনার মতামত লিখুন