দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলনের পর সার্বিয়ায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট আলেকসান্ডার ভুসিচের ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল।
আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬) প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফলের আগে টেলিভিশন ভাষণে নিজের পরাজয় স্বীকার করে নেন প্রেসিডেন্ট ভুসিচ। তিনি জানান, ২৫০ আসনবিশিষ্ট সার্বিয়ার পার্লামেন্টে শিক্ষার্থীদের ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ প্রায় ১৩৫ থেকে ১৪০টি আসন পেতে চলেছে, যেখানে তার দল সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টি (এসএনএস) পেয়েছে ১০৫টি আসন। ২০১৪ সাল থেকে দেশটিতে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে আসা জাতীয়তাবাদী নেতা ভুসিচের পরাজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই রাজধানী বেলগ্রেডের রাজপথে নেমে আসেন হাজার হাজার উল্লাসিত মানুষ। গাড়ি হর্ন, নাচ ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো রাজধানী।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে নোভি সাদ শহরে একটি রেলওয়ে স্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যুর পর দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল, যা প্রায় দুই বছর ধরে অব্যাহত ছিল। সার্বিয়ার এই অভাবনীয় পরিবর্তনকে ইউরোপের অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থী আন্দোলনের জন্যও একটি বড় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিকে সার্বিয়ার এই নতুন রাজনৈতিক পালাবদলকে স্বাগত জানিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন এবং সম্প্রসারণবিষয়ক কমিশনার মার্তা কোস ইইউ-এর সাথে সার্বিয়ার ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সূত্র: রয়টার্স / এএফপি / আল জাজিরা

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলনের পর সার্বিয়ায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট আলেকসান্ডার ভুসিচের ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল।
আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬) প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফলের আগে টেলিভিশন ভাষণে নিজের পরাজয় স্বীকার করে নেন প্রেসিডেন্ট ভুসিচ। তিনি জানান, ২৫০ আসনবিশিষ্ট সার্বিয়ার পার্লামেন্টে শিক্ষার্থীদের ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ প্রায় ১৩৫ থেকে ১৪০টি আসন পেতে চলেছে, যেখানে তার দল সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টি (এসএনএস) পেয়েছে ১০৫টি আসন। ২০১৪ সাল থেকে দেশটিতে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে আসা জাতীয়তাবাদী নেতা ভুসিচের পরাজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই রাজধানী বেলগ্রেডের রাজপথে নেমে আসেন হাজার হাজার উল্লাসিত মানুষ। গাড়ি হর্ন, নাচ ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো রাজধানী।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে নোভি সাদ শহরে একটি রেলওয়ে স্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যুর পর দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল, যা প্রায় দুই বছর ধরে অব্যাহত ছিল। সার্বিয়ার এই অভাবনীয় পরিবর্তনকে ইউরোপের অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থী আন্দোলনের জন্যও একটি বড় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিকে সার্বিয়ার এই নতুন রাজনৈতিক পালাবদলকে স্বাগত জানিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন এবং সম্প্রসারণবিষয়ক কমিশনার মার্তা কোস ইইউ-এর সাথে সার্বিয়ার ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সূত্র: রয়টার্স / এএফপি / আল জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন