বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দেশের সকল মাদরাসা ভবনের ছাদে নতুন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে 'অপারেশনাল এক্সপেনডিচার' বা ওঅপেক্স (OPEX) মডেল অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মডেলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে কোনো নিজস্ব অর্থায়ন করতে হবে না, বরং বেসরকারি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নিজ খরচে সোলার প্যানেল স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ চুক্তিবদ্ধ মূল্যে কিনবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম তৌহিদুজ্জামানের সই করা এক দাপ্তরিক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। বোর্ডের অধীন সব স্তরের মাদরাসার অধ্যক্ষ, সুপার, প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সভাপতি এবং পরিচালনা কমিটির সদস্যদের অবগতির জন্য চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।
বোর্ডের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 'জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০১৬-২০৩০' অনুসরণ করে দেশের সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার নিজস্ব স্থাপনায় নতুন রুফটপ সোলার প্রকল্প ওঅপেক্স মডেলে বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই মডেল চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নির্দেশনায় আরও জানানো হয়, মাদরাসার নিজস্ব ভবন বা ছাদের ওপর নতুন সোলার প্রকল্প চালুর ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট কৌশলপত্র ও নীতিমালা পুরোপুরি অনুসরণ করতে হবে।
যেভাবে কাজ করবে ওঅপেক্স মডেল:
ওঅপেক্স মডেলে সোলার প্যানেল বসানোর প্রাথমিক মূলধন বা বিনিয়োগ এবং সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ওপর। ফলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে কোনো আর্থিক চাপ নিতে হবে না। তবে সোলার থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে।
এই নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দেশের সকল মাদরাসা ভবনের ছাদে নতুন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে 'অপারেশনাল এক্সপেনডিচার' বা ওঅপেক্স (OPEX) মডেল অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মডেলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে কোনো নিজস্ব অর্থায়ন করতে হবে না, বরং বেসরকারি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নিজ খরচে সোলার প্যানেল স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ চুক্তিবদ্ধ মূল্যে কিনবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম তৌহিদুজ্জামানের সই করা এক দাপ্তরিক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। বোর্ডের অধীন সব স্তরের মাদরাসার অধ্যক্ষ, সুপার, প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সভাপতি এবং পরিচালনা কমিটির সদস্যদের অবগতির জন্য চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।
বোর্ডের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 'জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০১৬-২০৩০' অনুসরণ করে দেশের সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার নিজস্ব স্থাপনায় নতুন রুফটপ সোলার প্রকল্প ওঅপেক্স মডেলে বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই মডেল চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নির্দেশনায় আরও জানানো হয়, মাদরাসার নিজস্ব ভবন বা ছাদের ওপর নতুন সোলার প্রকল্প চালুর ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট কৌশলপত্র ও নীতিমালা পুরোপুরি অনুসরণ করতে হবে।
যেভাবে কাজ করবে ওঅপেক্স মডেল:
ওঅপেক্স মডেলে সোলার প্যানেল বসানোর প্রাথমিক মূলধন বা বিনিয়োগ এবং সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ওপর। ফলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে কোনো আর্থিক চাপ নিতে হবে না। তবে সোলার থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে।
এই নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন