কয়েক দিনের বিরতির পর সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে আবারও দুই শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে প্রাণ হারানো শিশু দুটির মধ্যে একজনের বাড়ি সিলেটে (বয়স ৯ মাস) এবং অন্যজন সুনামগঞ্জের (বয়স ছয় মাস)। এ নিয়ে সমগ্র সিলেট বিভাগে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৫ জনে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ জন প্রাপ্তবয়স্কও রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সিলেট জেলায়, যেখানে মারা গেছেন ৭৫ জন। এছাড়া সুনামগঞ্জে ৬৭ জন, হবিগঞ্জে ২৮ জন এবং মৌলভীবাজারে ১৫ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ৫৫২ জন রোগী। এর মধ্যে সিলেট নগরের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৭০ জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২০৩ জন রোগী ভর্তি আছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৭৭ জনসহ বিভাগের অন্যান্য জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরও বহু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন কারও শরীরে হামের সংক্রমণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে আরও ২২৯ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তথ্যমতে, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ল্যাব ল্যাবে পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৯৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত সিলেট জেলায় ৪২২ জন, সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন এবং হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে ১৫৮ জন করে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, শিশুদের শরীরে হামের প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় দ্রুত নিউমোনিয়া ও তীব্র শ্বাসকষ্টসহ নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়ে প্রাণহানির ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
কয়েক দিনের বিরতির পর সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে আবারও দুই শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে প্রাণ হারানো শিশু দুটির মধ্যে একজনের বাড়ি সিলেটে (বয়স ৯ মাস) এবং অন্যজন সুনামগঞ্জের (বয়স ছয় মাস)। এ নিয়ে সমগ্র সিলেট বিভাগে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৫ জনে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ জন প্রাপ্তবয়স্কও রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সিলেট জেলায়, যেখানে মারা গেছেন ৭৫ জন। এছাড়া সুনামগঞ্জে ৬৭ জন, হবিগঞ্জে ২৮ জন এবং মৌলভীবাজারে ১৫ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ৫৫২ জন রোগী। এর মধ্যে সিলেট নগরের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৭০ জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২০৩ জন রোগী ভর্তি আছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৭৭ জনসহ বিভাগের অন্যান্য জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরও বহু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন কারও শরীরে হামের সংক্রমণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে আরও ২২৯ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তথ্যমতে, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ল্যাব ল্যাবে পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৯৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত সিলেট জেলায় ৪২২ জন, সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন এবং হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে ১৫৮ জন করে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, শিশুদের শরীরে হামের প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় দ্রুত নিউমোনিয়া ও তীব্র শ্বাসকষ্টসহ নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়ে প্রাণহানির ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন