দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওসে চীনের একটি নবনির্মিত সামরিক স্থাপনায় যুদ্ধবিমান মোতায়েনের চাঞ্চল্যকর চিত্র ধরা পড়েছে বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট ছবিতে। গত সপ্তাহে চালু হওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাটি মূল ভূখণ্ডভিত্তিক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বেইজিংয়ের বিমানবাহিনীর জন্য সরাসরি প্রবেশের সুযোগ ও প্রথম ঘাঁটি গড়ে তোলার বার্তা দিচ্ছে।
বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘ভ্যান্টর’-এর সংগৃহীত সাম্প্রতিক ছবিতে দেখা যায়, লাওসের ‘বান কুন’ বিমানবন্দরে আটটি হালকা যুদ্ধবিমান এবং সারিবদ্ধভাবে রাখা এক ডজনেরও বেশি সামরিক যানবাহন অবস্থান করছে। বিশদ পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বিমানঘাঁটিটির রানওয়েটি এখনও পুরোপুরি নির্মাণাধীন অবস্থায় রয়েছে। এটি নিজ সীমান্তের বাইরে গিয়ে এশীয় অঞ্চলে চীনের সামরিক উপস্থিতি শক্তিশালী করার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাওয়া বিমানগুলোর বাহ্যিক আকৃতি ও নকশা চীনের তৈরি ‘হংদু জেএল-৮’ হালকা জেটের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মূলত দুই আসনবিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমান হলেও প্রয়োজনে ভারী বোমা ও গোলাবারুদ বহন করে যুদ্ধক্ষেত্রে আক্রমণ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে এই যুদ্ধবিমানগুলোর।
লন্ডন-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সামরিক গবেষণা সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাওসের সামরিক বহরে পূর্বে থেকেই এ ধরনের চারটি বিমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে নতুন করে চীনা যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ভূ-সামরিক প্রভাব বিস্তারের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওসে চীনের একটি নবনির্মিত সামরিক স্থাপনায় যুদ্ধবিমান মোতায়েনের চাঞ্চল্যকর চিত্র ধরা পড়েছে বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট ছবিতে। গত সপ্তাহে চালু হওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাটি মূল ভূখণ্ডভিত্তিক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বেইজিংয়ের বিমানবাহিনীর জন্য সরাসরি প্রবেশের সুযোগ ও প্রথম ঘাঁটি গড়ে তোলার বার্তা দিচ্ছে।
বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘ভ্যান্টর’-এর সংগৃহীত সাম্প্রতিক ছবিতে দেখা যায়, লাওসের ‘বান কুন’ বিমানবন্দরে আটটি হালকা যুদ্ধবিমান এবং সারিবদ্ধভাবে রাখা এক ডজনেরও বেশি সামরিক যানবাহন অবস্থান করছে। বিশদ পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বিমানঘাঁটিটির রানওয়েটি এখনও পুরোপুরি নির্মাণাধীন অবস্থায় রয়েছে। এটি নিজ সীমান্তের বাইরে গিয়ে এশীয় অঞ্চলে চীনের সামরিক উপস্থিতি শক্তিশালী করার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাওয়া বিমানগুলোর বাহ্যিক আকৃতি ও নকশা চীনের তৈরি ‘হংদু জেএল-৮’ হালকা জেটের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মূলত দুই আসনবিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমান হলেও প্রয়োজনে ভারী বোমা ও গোলাবারুদ বহন করে যুদ্ধক্ষেত্রে আক্রমণ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে এই যুদ্ধবিমানগুলোর।
লন্ডন-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সামরিক গবেষণা সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাওসের সামরিক বহরে পূর্বে থেকেই এ ধরনের চারটি বিমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে নতুন করে চীনা যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ভূ-সামরিক প্রভাব বিস্তারের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন