একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ নিতে পারবেন না—সরকারের এই নীতিমালার ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থা স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে ২০২৬ সালের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির সারের ডিলারশিপ নেওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বুধবার (৭ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত হাইকোর্টের আদেশের ওপর এই স্থগিতাদেশ দেন। এই আদেশের মাধ্যমে সরকারের ঘোষিত ‘সার ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৬’ অনুযায়ী সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
মামলার বিবরণ ও রাষ্ট্রপক্ষ সূত্রে জানা যায়, বাজারে সারের কৃত্রিম সংকট নিরসন, ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি বন্ধ এবং পারিবারিক একচেটিয়া প্রভাব ঠেকানোর লক্ষ্যে গত ২৭ আগস্ট নতুন ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়ন করে সরকার। পরবর্তীতে নীতিমালার কয়েকটি বিধান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে গত সেপ্টেম্বর মাসে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)। গত ৩ সেপ্টেম্বর সেই রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট কৃষি মন্ত্রণালয়ে দেওয়া বিএফএর আবেদনটি ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং ওই সময় পর্যন্ত নতুন সার ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
হাইকোর্টের ওই স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন জানালে চেম্বার আদালত শুনানি শেষে হাইকোর্টের নির্দেশনার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেন। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, চেম্বার আদালতের এই আদেশের মাধ্যমে সরকারের ঘোষিত নীতিমালার কঠোর প্রয়োগ চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হলো।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ নিতে পারবেন না—সরকারের এই নীতিমালার ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থা স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে ২০২৬ সালের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির সারের ডিলারশিপ নেওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বুধবার (৭ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত হাইকোর্টের আদেশের ওপর এই স্থগিতাদেশ দেন। এই আদেশের মাধ্যমে সরকারের ঘোষিত ‘সার ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৬’ অনুযায়ী সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
মামলার বিবরণ ও রাষ্ট্রপক্ষ সূত্রে জানা যায়, বাজারে সারের কৃত্রিম সংকট নিরসন, ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি বন্ধ এবং পারিবারিক একচেটিয়া প্রভাব ঠেকানোর লক্ষ্যে গত ২৭ আগস্ট নতুন ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়ন করে সরকার। পরবর্তীতে নীতিমালার কয়েকটি বিধান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে গত সেপ্টেম্বর মাসে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)। গত ৩ সেপ্টেম্বর সেই রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট কৃষি মন্ত্রণালয়ে দেওয়া বিএফএর আবেদনটি ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং ওই সময় পর্যন্ত নতুন সার ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
হাইকোর্টের ওই স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন জানালে চেম্বার আদালত শুনানি শেষে হাইকোর্টের নির্দেশনার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেন। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, চেম্বার আদালতের এই আদেশের মাধ্যমে সরকারের ঘোষিত নীতিমালার কঠোর প্রয়োগ চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হলো।

আপনার মতামত লিখুন