দিকপাল

ক্ষত ছোট হলেও বিপদ বড়! কখন জরুরি টিটেনাস টিকা?


ইয়াসরির মাহবুব
ইয়াসরির মাহবুব স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৫:৩৯ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

ক্ষত ছোট হলেও বিপদ বড়! কখন জরুরি টিটেনাস টিকা?

দৈনন্দিন জীবনে রান্নাঘরে আঙুল কেটে যাওয়া, রাস্তায় হোঁচট খেয়ে পা ছিলে যাওয়া বা ছোটখাটো জখমকে সাধারণত আমরা অবহেলা করে থাকি। তবে চিকিৎসকদের মতে, সামান্য ও ছোট কাটাছেঁড়া থেকেও দেখা দিতে পারে প্রাণঘাতী রোগ ধনুষ্টংকার বা টিটেনাস। মাটি, ধুলাবালি বা গোবরের মধ্যে থাকা বিশেষ ব্যাকটেরিয়া শরীরের কাটা বা খোলা ক্ষতের মাধ্যমে প্রবেশ করে এই বিপজ্জনক সংক্রমণ ঘটায়।

সাধারণ ও পরিষ্কার কাটার ক্ষেত্রে ঝুঁকি কম থাকলেও মাটিতে বা কাঁদায় কেটে যাওয়া, জং ধরা পেরেক বা ধারালো কিছু গেঁথে তৈরি হওয়া গভীর ক্ষত, পশুপাখির কামড় কিংবা আগুনে পোড়া ও থেঁতলে যাওয়া ক্ষতগুলো মারাত্মক টিটেনাস ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

আঘাতপ্রাপ্ত ক্ষতের ধরণ এবং ইতিপূর্বে নেওয়া ভ্যাকসিনের সময়কালের ওপর টিটেনাস বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা নির্ভর করে। পরিষ্কার ক্ষতের ক্ষেত্রে শেষ টিটেনাস টিকা নেওয়ার পর ১০ বছর বা তার বেশি সময় পার হলে একটি বুস্টার ডোজ নেওয়া নিরাপদ। তবে ক্ষত যদি গভীর ও ময়লাযুক্ত হয় এবং শেষ টিকা নেওয়ার পর ৫ বছর বা তার বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়, তবে অবিলম্বে বুস্টার ডোজ নিতে হবে। এছাড়া পূর্বে কখনো টিকা নেওয়া হয়েছে কি না তা নিশ্চিত না থাকলে কালবিলম্ব না করে চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত টিকা গ্রহণ করা উচিত।

আঘাত পাওয়ার সাথে সাথেই ক্ষতস্থানটি জীবাণুমুক্ত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, কেবল অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে টিটেনাস প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। আঘাতের কয়েক দিন পর চোয়াল শক্ত হয়ে যাওয়া, গিলতে কষ্ট হওয়া বা পেশিতে টান ধরার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ক্ষত ছোট হলেও বিপদ বড়! কখন জরুরি টিটেনাস টিকা?

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দৈনন্দিন জীবনে রান্নাঘরে আঙুল কেটে যাওয়া, রাস্তায় হোঁচট খেয়ে পা ছিলে যাওয়া বা ছোটখাটো জখমকে সাধারণত আমরা অবহেলা করে থাকি। তবে চিকিৎসকদের মতে, সামান্য ও ছোট কাটাছেঁড়া থেকেও দেখা দিতে পারে প্রাণঘাতী রোগ ধনুষ্টংকার বা টিটেনাস। মাটি, ধুলাবালি বা গোবরের মধ্যে থাকা বিশেষ ব্যাকটেরিয়া শরীরের কাটা বা খোলা ক্ষতের মাধ্যমে প্রবেশ করে এই বিপজ্জনক সংক্রমণ ঘটায়।

সাধারণ ও পরিষ্কার কাটার ক্ষেত্রে ঝুঁকি কম থাকলেও মাটিতে বা কাঁদায় কেটে যাওয়া, জং ধরা পেরেক বা ধারালো কিছু গেঁথে তৈরি হওয়া গভীর ক্ষত, পশুপাখির কামড় কিংবা আগুনে পোড়া ও থেঁতলে যাওয়া ক্ষতগুলো মারাত্মক টিটেনাস ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

আঘাতপ্রাপ্ত ক্ষতের ধরণ এবং ইতিপূর্বে নেওয়া ভ্যাকসিনের সময়কালের ওপর টিটেনাস বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা নির্ভর করে। পরিষ্কার ক্ষতের ক্ষেত্রে শেষ টিটেনাস টিকা নেওয়ার পর ১০ বছর বা তার বেশি সময় পার হলে একটি বুস্টার ডোজ নেওয়া নিরাপদ। তবে ক্ষত যদি গভীর ও ময়লাযুক্ত হয় এবং শেষ টিকা নেওয়ার পর ৫ বছর বা তার বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়, তবে অবিলম্বে বুস্টার ডোজ নিতে হবে। এছাড়া পূর্বে কখনো টিকা নেওয়া হয়েছে কি না তা নিশ্চিত না থাকলে কালবিলম্ব না করে চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত টিকা গ্রহণ করা উচিত।

আঘাত পাওয়ার সাথে সাথেই ক্ষতস্থানটি জীবাণুমুক্ত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, কেবল অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে টিটেনাস প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। আঘাতের কয়েক দিন পর চোয়াল শক্ত হয়ে যাওয়া, গিলতে কষ্ট হওয়া বা পেশিতে টান ধরার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল