বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে রোগীদের কাছ থেকে অনিয়ন্ত্রিত ও ইচ্ছেমতো ফি আদায় বন্ধে সুনির্দিষ্ট সেবা মূল্য ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার (টেস্ট) ফি নির্ধারণের নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলোর সুযোগ-সুবিধা, অবকাঠামো ও সেবার মান বিবেচনা করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেণিবিন্যাস করা হবে এবং সেই অনুযায়ী যৌক্তিক মূল্য কাঠামো বেঁধে দেওয়া হবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানান।
সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯৮২ সালের 'মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক্স অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স' অনুযায়ী বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট ফি প্রকাশ্যে প্রদর্শনের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, রোগ নির্ণয়ের নতুন ধারা, জনবল ও প্রতিষ্ঠান পরিচালন ব্যয়ের ব্যাপক পরিবর্তনের কারণে চার দশক আগের পুরনো ফি কাঠামো এখন আর বাস্তবসম্মত নয়। ফলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি যুগোপযোগী ও টেকসই ফি নীতিমালা তৈরি করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
প্রস্তাবিত নতুন গাইডলাইনে হাসপাতালগুলোর মান অনুযায়ী ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি নির্ধারিত ফি প্রকাশ্যে টাঙানো, প্রতিটি সেবার বিপরীতে বাধ্যতামূলক মানসম্মত রসিদ প্রদান, অতিরিক্ত ফি আদায় রোধ, রোগীদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করার বিধান যুক্ত থাকবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখা অংশীজনদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ে পর্যালোচনা শেষে এই নির্দেশাবলী চূড়ান্ত করবে বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে রোগীদের কাছ থেকে অনিয়ন্ত্রিত ও ইচ্ছেমতো ফি আদায় বন্ধে সুনির্দিষ্ট সেবা মূল্য ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার (টেস্ট) ফি নির্ধারণের নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলোর সুযোগ-সুবিধা, অবকাঠামো ও সেবার মান বিবেচনা করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেণিবিন্যাস করা হবে এবং সেই অনুযায়ী যৌক্তিক মূল্য কাঠামো বেঁধে দেওয়া হবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানান।
সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯৮২ সালের 'মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক্স অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স' অনুযায়ী বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট ফি প্রকাশ্যে প্রদর্শনের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, রোগ নির্ণয়ের নতুন ধারা, জনবল ও প্রতিষ্ঠান পরিচালন ব্যয়ের ব্যাপক পরিবর্তনের কারণে চার দশক আগের পুরনো ফি কাঠামো এখন আর বাস্তবসম্মত নয়। ফলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি যুগোপযোগী ও টেকসই ফি নীতিমালা তৈরি করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
প্রস্তাবিত নতুন গাইডলাইনে হাসপাতালগুলোর মান অনুযায়ী ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি নির্ধারিত ফি প্রকাশ্যে টাঙানো, প্রতিটি সেবার বিপরীতে বাধ্যতামূলক মানসম্মত রসিদ প্রদান, অতিরিক্ত ফি আদায় রোধ, রোগীদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করার বিধান যুক্ত থাকবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখা অংশীজনদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ে পর্যালোচনা শেষে এই নির্দেশাবলী চূড়ান্ত করবে বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন