মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অননুমোদিত ঋণের প্রলোভন থেকে জনসাধারণকে দূরে থাকার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। দেশের আর্থিক নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় এমন ৩১টি অনুমোদনহীন অ্যাপ বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করে সেগুলোতে লেনদেন না করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিএফআইইউ প্রকাশ করেছে, এসব অননুমোদিত ঋণ অ্যাপগুলো নামমাত্র শর্তে দ্রুত ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য, গ্যালারির ছবি, ব্যাংক হিসাব এবং ফোনে থাকা কন্টাক্ট লিস্ট হাতিয়ে নিচ্ছে। পরবর্তীতে চড়া সুদে ঋণ আদায়ের নামে গ্রাহককে ব্ল্যাকমেইল, হুমকি-ধমকি দেওয়া, ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মতো ভয়ংকর প্রতারণা চালানো হচ্ছে।
সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বাংলাদেশে যেকোনো প্রকার ঋণ প্রদান কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও প্রচলিত আইনের অধীন নিয়ন্ত্রিত। আইনগত অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ লেনদেন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক জালিয়াতি ও আন্তর্জাতিক মানিলন্ডারিংয়ের বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
বিএফআইইউর নজরে আসা ৩১টি প্রতারক অ্যাপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সাথী লোন, পপুলার, ফিনেশিয়াল, কুইক লোন, কুইক ক্যাশ, ঢাকা পিন, লোনবাইফ, দোস্ত লোন, ক্যাশ ক্যাশ লোন, কেওয়াইও লোন, এসএসএইচ মানি, লোনফানি, ক্যাশহারা, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি ক্যাশ, ধৈর্য লোন, পিন ঋণ ডু, ফঙ্গেক্যাশ, আলো লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও ক্যাশানাও।
বিএফআইইউর নিরাপত্তা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অপরিচিত অ্যাপ বা লিংকে ব্যক্তিগত তথ্য বা জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি ঋণ দেওয়ার কথা বলে কোনো অগ্রিম ফি বা প্রসেসিং চার্জ দাবি করলে তা থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি এ ধরনের অননুমোদিত অ্যাপের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বা প্রতারিত হলে সরাসরি বিএফআইইউতে লিখিত অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অননুমোদিত ঋণের প্রলোভন থেকে জনসাধারণকে দূরে থাকার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। দেশের আর্থিক নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় এমন ৩১টি অনুমোদনহীন অ্যাপ বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করে সেগুলোতে লেনদেন না করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিএফআইইউ প্রকাশ করেছে, এসব অননুমোদিত ঋণ অ্যাপগুলো নামমাত্র শর্তে দ্রুত ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য, গ্যালারির ছবি, ব্যাংক হিসাব এবং ফোনে থাকা কন্টাক্ট লিস্ট হাতিয়ে নিচ্ছে। পরবর্তীতে চড়া সুদে ঋণ আদায়ের নামে গ্রাহককে ব্ল্যাকমেইল, হুমকি-ধমকি দেওয়া, ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মতো ভয়ংকর প্রতারণা চালানো হচ্ছে।
সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বাংলাদেশে যেকোনো প্রকার ঋণ প্রদান কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও প্রচলিত আইনের অধীন নিয়ন্ত্রিত। আইনগত অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ লেনদেন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক জালিয়াতি ও আন্তর্জাতিক মানিলন্ডারিংয়ের বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
বিএফআইইউর নজরে আসা ৩১টি প্রতারক অ্যাপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সাথী লোন, পপুলার, ফিনেশিয়াল, কুইক লোন, কুইক ক্যাশ, ঢাকা পিন, লোনবাইফ, দোস্ত লোন, ক্যাশ ক্যাশ লোন, কেওয়াইও লোন, এসএসএইচ মানি, লোনফানি, ক্যাশহারা, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি ক্যাশ, ধৈর্য লোন, পিন ঋণ ডু, ফঙ্গেক্যাশ, আলো লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও ক্যাশানাও।
বিএফআইইউর নিরাপত্তা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অপরিচিত অ্যাপ বা লিংকে ব্যক্তিগত তথ্য বা জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি ঋণ দেওয়ার কথা বলে কোনো অগ্রিম ফি বা প্রসেসিং চার্জ দাবি করলে তা থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি এ ধরনের অননুমোদিত অ্যাপের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বা প্রতারিত হলে সরাসরি বিএফআইইউতে লিখিত অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন