দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে গতি আনতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বেজা এবং পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ পিপিপিএ একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নতুন এই বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার যেখানে জানানো হয় ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬ কার্যকরের মাধ্যমে এখন থেকে সব ধরনের কার্যক্রম নতুন এই সংস্থার নামে পরিচালিত হবে। নতুন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিনিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা একই ছাতার নিচে নিয়ে আসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যার প্রধান কার্যালয় হবে ঢাকায়।
সংস্থাটির রূপরেখা অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান ও সাতজন সদস্যের সমন্বয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হবে যেখানে চেয়ারম্যান মূল নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে দেশে ও বিদেশে শাখা ও লিয়াজোঁ কার্যালয় খোলার সুযোগ রাখা হয়েছে এই নতুন আইনে। একীভূত হওয়া তিন প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সম্পদ চুক্তি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দায়-দেনা নতুন কর্তৃপক্ষের অধীনে হস্তান্তরিত হবে।
দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি ও স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ সংক্রান্ত সেবার জটিলতা এড়াতে একক সেবা কেন্দ্রের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তিন প্রতিষ্ঠানের এই ঐতিহাসিক সমন্বয়ের ফলে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস পেয়ে দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে গতি আনতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বেজা এবং পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ পিপিপিএ একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নতুন এই বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার যেখানে জানানো হয় ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬ কার্যকরের মাধ্যমে এখন থেকে সব ধরনের কার্যক্রম নতুন এই সংস্থার নামে পরিচালিত হবে। নতুন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিনিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা একই ছাতার নিচে নিয়ে আসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যার প্রধান কার্যালয় হবে ঢাকায়।
সংস্থাটির রূপরেখা অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান ও সাতজন সদস্যের সমন্বয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হবে যেখানে চেয়ারম্যান মূল নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে দেশে ও বিদেশে শাখা ও লিয়াজোঁ কার্যালয় খোলার সুযোগ রাখা হয়েছে এই নতুন আইনে। একীভূত হওয়া তিন প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সম্পদ চুক্তি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দায়-দেনা নতুন কর্তৃপক্ষের অধীনে হস্তান্তরিত হবে।
দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি ও স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ সংক্রান্ত সেবার জটিলতা এড়াতে একক সেবা কেন্দ্রের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তিন প্রতিষ্ঠানের এই ঐতিহাসিক সমন্বয়ের ফলে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস পেয়ে দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন