মাদক চোরাচালান ও ব্যবসার মূল হোতা তথা গডফাদারদের শনাক্ত করে শিগগিরই একটি সুনির্দিষ্ট ও হালনাগাদ তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এই তালিকার ওপর ভিত্তি করেই দেশজুড়ে সমন্বিত ও কঠোর গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
গত রাতে কক্সবাজার শহরের হিল ডাউন সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নসংক্রান্ত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কোনো ধরনের পক্ষপাত না করে সম্পূর্ণ নির্মোহভাবে একটি বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে শীর্ষ মাদক চোরাকারবারি, গডফাদার ও তাদের সহযোগীদের এই তালিকা প্রস্তুত করা হবে। ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকের চোরাচালান দেশের যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের বিস্তার রোধ করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এই নতুন পরিকল্পনার আওতায় শুধু মূল হোতারাই নয়, বরং যারা মাদক চোরাচালানের বাহক বা ‘ক্যারিয়ার’ হিসেবে কাজ করছে, তাদেরও সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
একই সাথে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, মাদকের পাশাপাশি জুয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মতো সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধেও সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বলবৎ থাকবে এবং এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের অভয়ারণ্য ও প্রধান রুট হিসেবে পরিচিত সীমান্ত ও উপকূলীয় জলপথগুলোতে নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল আরও জোরদার করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা থেকে।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
মাদক চোরাচালান ও ব্যবসার মূল হোতা তথা গডফাদারদের শনাক্ত করে শিগগিরই একটি সুনির্দিষ্ট ও হালনাগাদ তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এই তালিকার ওপর ভিত্তি করেই দেশজুড়ে সমন্বিত ও কঠোর গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
গত রাতে কক্সবাজার শহরের হিল ডাউন সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নসংক্রান্ত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কোনো ধরনের পক্ষপাত না করে সম্পূর্ণ নির্মোহভাবে একটি বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে শীর্ষ মাদক চোরাকারবারি, গডফাদার ও তাদের সহযোগীদের এই তালিকা প্রস্তুত করা হবে। ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকের চোরাচালান দেশের যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের বিস্তার রোধ করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এই নতুন পরিকল্পনার আওতায় শুধু মূল হোতারাই নয়, বরং যারা মাদক চোরাচালানের বাহক বা ‘ক্যারিয়ার’ হিসেবে কাজ করছে, তাদেরও সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
একই সাথে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, মাদকের পাশাপাশি জুয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মতো সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধেও সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বলবৎ থাকবে এবং এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের অভয়ারণ্য ও প্রধান রুট হিসেবে পরিচিত সীমান্ত ও উপকূলীয় জলপথগুলোতে নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল আরও জোরদার করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা থেকে।

আপনার মতামত লিখুন