মুসলিম দেশগুলোর সমন্বয়ে একটি সমন্বিত ও যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়েদ মজিদ ইবনে-রেজা। তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলারের সঙ্গে এক ফোনালাপে ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও মিশরসহ প্রধান মুসলিম দেশগুলোকে নিয়ে এই প্রস্তাবিত জোট গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
রোববার অনুষ্ঠিত ওই ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে বহিরাগত কোনো শক্তির উপস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেন জেনারেল ইবনে-রেজা। তিনি উল্লেখ করেন, স্থায়ী নিরাপত্তা কোনো বিদেশী শক্তির ওপর নির্ভর করে অর্জিত হতে পারে না; এটি সম্পূর্ণ আঞ্চলিক দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়।
সাম্প্রতিক মার্কিন যুদ্ধবিরতি সমঝোতা স্মারক প্রসঙ্গে তিনি জানান, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বন্ধুপ্রতীম প্রতিবেশী দেশগুলোর বিশেষ অনুরোধেই ইরান এতে সম্মত হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের ইতিহাস ইতিবাচক না হওয়ায় তেহরান অন্ধভাবে আস্থা রাখছে না এবং যেকোনো চুক্তি লঙ্ঘনের মুখে কড়া জবাব দিতে তাঁদের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
আলোচনায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন এবং সিরিয়া ও লেবাননে নতুন ফ্রন্ট খোলার মার্কিন হুমকির তীব্র নিন্দা জানানো হয়। অন্যদিকে, ফোনালাপে তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার সাম্প্রতিক সংঘর্ষে ইরানি হতাহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং আঞ্চলিক সীমান্ত নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন ও কূটনীতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে তুরস্কের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
মুসলিম দেশগুলোর সমন্বয়ে একটি সমন্বিত ও যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়েদ মজিদ ইবনে-রেজা। তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলারের সঙ্গে এক ফোনালাপে ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও মিশরসহ প্রধান মুসলিম দেশগুলোকে নিয়ে এই প্রস্তাবিত জোট গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
রোববার অনুষ্ঠিত ওই ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে বহিরাগত কোনো শক্তির উপস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেন জেনারেল ইবনে-রেজা। তিনি উল্লেখ করেন, স্থায়ী নিরাপত্তা কোনো বিদেশী শক্তির ওপর নির্ভর করে অর্জিত হতে পারে না; এটি সম্পূর্ণ আঞ্চলিক দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়।
সাম্প্রতিক মার্কিন যুদ্ধবিরতি সমঝোতা স্মারক প্রসঙ্গে তিনি জানান, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বন্ধুপ্রতীম প্রতিবেশী দেশগুলোর বিশেষ অনুরোধেই ইরান এতে সম্মত হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের ইতিহাস ইতিবাচক না হওয়ায় তেহরান অন্ধভাবে আস্থা রাখছে না এবং যেকোনো চুক্তি লঙ্ঘনের মুখে কড়া জবাব দিতে তাঁদের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
আলোচনায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন এবং সিরিয়া ও লেবাননে নতুন ফ্রন্ট খোলার মার্কিন হুমকির তীব্র নিন্দা জানানো হয়। অন্যদিকে, ফোনালাপে তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার সাম্প্রতিক সংঘর্ষে ইরানি হতাহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং আঞ্চলিক সীমান্ত নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন ও কূটনীতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে তুরস্কের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন