যৌন অসদাচরণের গুরুতর অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানকে পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) আইসিসির দাফতরিক বার্তা ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইসিসির ১২৫টি সদস্য রাষ্ট্রের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আদালতের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পাইভি কাউকোরান্তা জানান, ৮২টি সদস্য রাষ্ট্র করিম খানকে অপসারণের পক্ষে ভোট দিয়েছে। পরিচালনা পর্ষদের পর্যালোচনায় উঠে আসে যে, তিনি গুরুতর অসদাচরণ ও অর্পিত কর্তব্যের নীতি ভঙ্গ করেছেন।
গত মাসে আদালতের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী ব্যুরোর দায়িত্বে থাকা কূটনীতিকরা জানান, এই ব্রিটিশ ব্যারিস্টার আইসিসির এক জুনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে অবৈধ যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে অপসারণের সুপারিশ করেন। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলো এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে।
তবে শুরু থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন করিম খান। ভোটাভুটির পর তাঁর আইনজীবী তাইয়াব আলী জানান, সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ও আদালতের মাধ্যমে তারা এই সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করবেন।
করিম খানের বরখাস্তের ফলে আইসিসিতে অবিলম্বে নতুন প্রধান প্রসিকিউটর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের অধ্যাপক লায়লা সাদাত এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, বিচারাধীন গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও বিচারালয়ের ভাবমূর্তি বজায় রাখতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলো এমন দ্রুত ও শক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে।

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
যৌন অসদাচরণের গুরুতর অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানকে পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) আইসিসির দাফতরিক বার্তা ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইসিসির ১২৫টি সদস্য রাষ্ট্রের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আদালতের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পাইভি কাউকোরান্তা জানান, ৮২টি সদস্য রাষ্ট্র করিম খানকে অপসারণের পক্ষে ভোট দিয়েছে। পরিচালনা পর্ষদের পর্যালোচনায় উঠে আসে যে, তিনি গুরুতর অসদাচরণ ও অর্পিত কর্তব্যের নীতি ভঙ্গ করেছেন।
গত মাসে আদালতের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী ব্যুরোর দায়িত্বে থাকা কূটনীতিকরা জানান, এই ব্রিটিশ ব্যারিস্টার আইসিসির এক জুনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে অবৈধ যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে অপসারণের সুপারিশ করেন। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলো এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে।
তবে শুরু থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন করিম খান। ভোটাভুটির পর তাঁর আইনজীবী তাইয়াব আলী জানান, সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ও আদালতের মাধ্যমে তারা এই সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করবেন।
করিম খানের বরখাস্তের ফলে আইসিসিতে অবিলম্বে নতুন প্রধান প্রসিকিউটর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের অধ্যাপক লায়লা সাদাত এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, বিচারাধীন গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও বিচারালয়ের ভাবমূর্তি বজায় রাখতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলো এমন দ্রুত ও শক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন