সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রতীক্ষিত নতুন বেতন স্কেল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। বিদ্যমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন এই বেতন কাঠামো দুই ধাপে কার্যকর না করে বরং একবারে বা এককালীন বাস্তবায়নের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
শুরুতে নতুন পে-স্কেল দুই ধাপে কার্যকর করার বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় থাকলেও বর্তমানে সেই চিন্তা থেকে প্রশাসন সরে আসছে। এর মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তিগত জটিলতা, প্রশাসনিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং চাকরিজীবীদের মধ্যে সম্ভাব্য অসন্তোষ। বিশেষ করে সরকারি কর্মচারীদের সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা ইউনিট বা ‘আইবাস’ (iBAS++) প্ল্যাটফর্মে দুই ধাপে আলাদাভাবে বেতন সমন্বয় করা অত্যন্ত জটিল। তাই প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সহজীকরণের লক্ষ্যে এককালীন বাস্তবায়নের দিকেই বেশি ঝুঁকছে অর্থ বিভাগ।
নতুন বেতন কাঠামো পর্যালোচনার জন্য আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশগুলোর সার্বিক আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি এবং বিভিন্ন ক্যাডার ও শ্রেণির চাকরিজীবীদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। তবে দেশের বর্তমান সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় কমিশনের মূল সুপারিশের তুলনায় চূড়ান্ত বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা কম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আজকের এই বৈঠক থেকে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা কম থাকলেও মূল বেতন চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকরের একটি প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত করার বিষয়টি আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছর পর্যন্ত গড়াতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবুও সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন এই বেতন কাঠামো নিয়ে গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। পুরো প্রক্রিয়াটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী টেকসই পরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপরই সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রতীক্ষিত নতুন বেতন স্কেল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। বিদ্যমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন এই বেতন কাঠামো দুই ধাপে কার্যকর না করে বরং একবারে বা এককালীন বাস্তবায়নের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
শুরুতে নতুন পে-স্কেল দুই ধাপে কার্যকর করার বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় থাকলেও বর্তমানে সেই চিন্তা থেকে প্রশাসন সরে আসছে। এর মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তিগত জটিলতা, প্রশাসনিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং চাকরিজীবীদের মধ্যে সম্ভাব্য অসন্তোষ। বিশেষ করে সরকারি কর্মচারীদের সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা ইউনিট বা ‘আইবাস’ (iBAS++) প্ল্যাটফর্মে দুই ধাপে আলাদাভাবে বেতন সমন্বয় করা অত্যন্ত জটিল। তাই প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সহজীকরণের লক্ষ্যে এককালীন বাস্তবায়নের দিকেই বেশি ঝুঁকছে অর্থ বিভাগ।
নতুন বেতন কাঠামো পর্যালোচনার জন্য আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশগুলোর সার্বিক আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি এবং বিভিন্ন ক্যাডার ও শ্রেণির চাকরিজীবীদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। তবে দেশের বর্তমান সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় কমিশনের মূল সুপারিশের তুলনায় চূড়ান্ত বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা কম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আজকের এই বৈঠক থেকে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা কম থাকলেও মূল বেতন চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকরের একটি প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত করার বিষয়টি আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছর পর্যন্ত গড়াতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবুও সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন এই বেতন কাঠামো নিয়ে গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। পুরো প্রক্রিয়াটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী টেকসই পরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপরই সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন