রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে একটি আবাসিক ভবনের সেপটিক ট্যাংকে গ্যাস বিস্ফোরণে তিন ফার্নিচার দোকান কর্মচারী গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে ভবনের নিচতলায় জমে থাকা গ্যাস থেকে হঠাৎ এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন— মো. রানা (২২), মো. জুয়েল (২০) ও মো. পারভেজ (২১)। তারা সবাই পান্থপথের একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করতেন এবং তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ এলাকায়।
বিস্ফোরণের পরপরই তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে রানার শরীরের ৬৩ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। এছাড়া জুয়েলের ৩০ শতাংশ ও পারভেজের ২১ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়েছে, যাদের বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে একটি আবাসিক ভবনের সেপটিক ট্যাংকে গ্যাস বিস্ফোরণে তিন ফার্নিচার দোকান কর্মচারী গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে ভবনের নিচতলায় জমে থাকা গ্যাস থেকে হঠাৎ এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন— মো. রানা (২২), মো. জুয়েল (২০) ও মো. পারভেজ (২১)। তারা সবাই পান্থপথের একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করতেন এবং তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ এলাকায়।
বিস্ফোরণের পরপরই তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে রানার শরীরের ৬৩ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। এছাড়া জুয়েলের ৩০ শতাংশ ও পারভেজের ২১ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়েছে, যাদের বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন