হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার হরিশ্যামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদের একাংশ ধসে পড়ার ঘটনায় প্রকাশ দাস নামে এক কর্মচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে আন্দিউড়া ইউনিয়নের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত প্রকাশ দাস ওই উপজেলারই উত্তর হরিশ্যামা গ্রামের বিকাশ দাসের ছেলে এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টিতে দপ্তরি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ঘটনার সময় তিনি বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ করেই ছাদের পলেস্তারা ও কংক্রিটের বিশাল একটি অংশ খসে পড়ে সরাসরি তার মাথার ওপর আঘাত করে। বিকট শব্দে ছাদ ধসে পড়ার আওয়াজ পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে আসেন এবং আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিদ্যালয় ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনটির বেহাল দশার বিষয়ে বহুবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, সৌভাগ্যবশত দুর্ঘটনার সময় শ্রেণিকক্ষে কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল না, অন্যথায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি ছিল। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবনটির জরুরি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাধবপুর উপজেলায় আরও অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এসব ভবনের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন যে, ইতিমধ্যে বিদ্যালয়ের ওই কক্ষটিতে পাঠদান কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বিদ্যালয়ের এমন ভঙ্গুর অবস্থা এবং নিয়মিত বিরতিতে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার হরিশ্যামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদের একাংশ ধসে পড়ার ঘটনায় প্রকাশ দাস নামে এক কর্মচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে আন্দিউড়া ইউনিয়নের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত প্রকাশ দাস ওই উপজেলারই উত্তর হরিশ্যামা গ্রামের বিকাশ দাসের ছেলে এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টিতে দপ্তরি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ঘটনার সময় তিনি বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ করেই ছাদের পলেস্তারা ও কংক্রিটের বিশাল একটি অংশ খসে পড়ে সরাসরি তার মাথার ওপর আঘাত করে। বিকট শব্দে ছাদ ধসে পড়ার আওয়াজ পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে আসেন এবং আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিদ্যালয় ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনটির বেহাল দশার বিষয়ে বহুবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, সৌভাগ্যবশত দুর্ঘটনার সময় শ্রেণিকক্ষে কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল না, অন্যথায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি ছিল। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবনটির জরুরি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাধবপুর উপজেলায় আরও অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এসব ভবনের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন যে, ইতিমধ্যে বিদ্যালয়ের ওই কক্ষটিতে পাঠদান কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বিদ্যালয়ের এমন ভঙ্গুর অবস্থা এবং নিয়মিত বিরতিতে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন