অহেতুক রাজনৈতিক ইস্যু তৈরি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে বিতাড়িত স্বৈরাচারকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ আর কখনও কোনো তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।
আজ বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, চব্বিশের ঐতিহাসিক আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের একক কৃতিত্ব নয়; সাধারণ জনগণই এই অভ্যুত্থানের আসল নায়ক। ফলে আজ থেকে উন্মুক্ত হওয়া এই স্মৃতি জাদুঘরটি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হবে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পূর্বসূরিদের সাহসিকতা তুলে ধরা এবং ফ্যাসিবাদের প্রকৃত রূপ উন্মোচনের এক জাতীয় কেন্দ্রে পরিণত হবে।
তিনি জানান, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের কাজ সরকার ইতোমধ্যে শুরু করেছে। আন্দোলন চলাকালে শহিদদের নামে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচারের আশ্বাস দেন তিনি। এ ছাড়া গণ-অভ্যুত্থানের সময় জনগণের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও তিনি ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি এই জাদুঘরকে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় এবং দেশের সকল সংস্কৃতির মিলনমেলা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
অহেতুক রাজনৈতিক ইস্যু তৈরি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে বিতাড়িত স্বৈরাচারকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ আর কখনও কোনো তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।
আজ বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, চব্বিশের ঐতিহাসিক আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের একক কৃতিত্ব নয়; সাধারণ জনগণই এই অভ্যুত্থানের আসল নায়ক। ফলে আজ থেকে উন্মুক্ত হওয়া এই স্মৃতি জাদুঘরটি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হবে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পূর্বসূরিদের সাহসিকতা তুলে ধরা এবং ফ্যাসিবাদের প্রকৃত রূপ উন্মোচনের এক জাতীয় কেন্দ্রে পরিণত হবে।
তিনি জানান, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের কাজ সরকার ইতোমধ্যে শুরু করেছে। আন্দোলন চলাকালে শহিদদের নামে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচারের আশ্বাস দেন তিনি। এ ছাড়া গণ-অভ্যুত্থানের সময় জনগণের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও তিনি ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি এই জাদুঘরকে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় এবং দেশের সকল সংস্কৃতির মিলনমেলা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন।

আপনার মতামত লিখুন