পবিত্র হজ পালন শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ঘরে ফেরা হাজিদের দেশে ফেরার কার্যক্রম পুরোদমে এগিয়ে চলছে। সর্বশেষ গত ১৮ জুন বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৬০ হাজার ৫৮৮ জন বাংলাদেশি হাজি সফলভাবে পবিত্রভূমি থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। সৌদি আরব থেকে আসা মোট ১৫২টি ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে এই হাজিরা নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরেছেন। ফিরতি যাত্রায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৭৬টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৪টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
হজ অফিসের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়া হাজিদের মধ্যে ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে গমনকারী ৫৬ হাজার ২৬৯ জন হাজি এখন পর্যন্ত দেশে ফিরে এসেছেন। ফ্লাইটের হিসাব করলে দেখা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৭৬টি ফ্লাইটে ২৬ হাজার ৮৬৮ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৫৪টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ৪৫ জন এবং ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী দেশে ফিরেছেন। এছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে আরও ৪ হাজার ৩ জন হাজি দেশে এসেছেন। অবশিষ্ট হাজিরা পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে নিজ দেশে ফিরে আসবেন।
তবে এবারের হজ মৌসুমে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুসংবাদও আমাদের বেদনার্ত করেছে। সৌদি আরবে অবস্থানকালে ৩৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারীসহ মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি হাজি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। স্বস্তির বিষয় হলো, মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাই।
হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা চলাকালীন ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে ১৫ জন হাজি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সৌদি আরবের মেডিকেল সেন্টারগুলো সব মিলিয়ে ৬৬ হাজার ২৪৯ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে। এছাড়া মক্কা ও মদিনায় অবস্থিত তথ্যসেবা কেন্দ্র বা আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ১৯৮ জন হাজিকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে, যা হাজিদের হজ পালনকে অনেক সহজতর করেছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে এবারের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এবং দীর্ঘ যাত্রার পর ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইটের সমাপ্তি ঘটে। হাজিদের নির্বিঘ্নে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিটি হাজি যাতে নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছাতে পারেন, সে বিষয়ে সব ধরনের তদারকি ও সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
পবিত্র হজ পালন শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ঘরে ফেরা হাজিদের দেশে ফেরার কার্যক্রম পুরোদমে এগিয়ে চলছে। সর্বশেষ গত ১৮ জুন বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৬০ হাজার ৫৮৮ জন বাংলাদেশি হাজি সফলভাবে পবিত্রভূমি থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। সৌদি আরব থেকে আসা মোট ১৫২টি ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে এই হাজিরা নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরেছেন। ফিরতি যাত্রায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৭৬টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৪টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
হজ অফিসের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়া হাজিদের মধ্যে ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে গমনকারী ৫৬ হাজার ২৬৯ জন হাজি এখন পর্যন্ত দেশে ফিরে এসেছেন। ফ্লাইটের হিসাব করলে দেখা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৭৬টি ফ্লাইটে ২৬ হাজার ৮৬৮ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৫৪টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ৪৫ জন এবং ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী দেশে ফিরেছেন। এছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে আরও ৪ হাজার ৩ জন হাজি দেশে এসেছেন। অবশিষ্ট হাজিরা পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে নিজ দেশে ফিরে আসবেন।
তবে এবারের হজ মৌসুমে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুসংবাদও আমাদের বেদনার্ত করেছে। সৌদি আরবে অবস্থানকালে ৩৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারীসহ মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি হাজি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। স্বস্তির বিষয় হলো, মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাই।
হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা চলাকালীন ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে ১৫ জন হাজি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সৌদি আরবের মেডিকেল সেন্টারগুলো সব মিলিয়ে ৬৬ হাজার ২৪৯ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে। এছাড়া মক্কা ও মদিনায় অবস্থিত তথ্যসেবা কেন্দ্র বা আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ১৯৮ জন হাজিকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে, যা হাজিদের হজ পালনকে অনেক সহজতর করেছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে এবারের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এবং দীর্ঘ যাত্রার পর ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইটের সমাপ্তি ঘটে। হাজিদের নির্বিঘ্নে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিটি হাজি যাতে নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছাতে পারেন, সে বিষয়ে সব ধরনের তদারকি ও সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন