জীর্ণ খরার দাবদাহে এক ফোঁটা প্রেমজলের আশায় চাতকের মতো চেয়েছিলাম,
তুমি এলে আমার মনের দুয়ারে কড়া নেড়ে,
তোমার রাগ অভিমান, ভালো লাগা, মন্দ লাগা আমাকে অভ্যস্ত করে ফেলেছে।
তোমাকে ছাড়া আর কিচ্ছুটি চলবে না,
কিচ্ছুটি।
অকস্মাৎ ঝড়ের বেগে তুমি এলে বিদীর্ণ করে
তোমার চাপা কান্নার জলে ফুপিয়ে বয়ে যায় দুঃখ নদী।
জীর্ণ খরার দাবদাহে এক ফোঁটা প্রেমজলের আশায় চাতকের মতো চেয়েছিলাম,
তুমি এলে আমার মনের দুয়ারে কড়া নেড়ে,
তোমার রাগ অভিমান, ভালো লাগা, মন্দ লাগা আমাকে অভ্যস্ত করে ফেলেছে।
তোমাকে ছাড়া আর কিচ্ছুটি চলবে না,
কিচ্ছুটি না ।
অকস্মাৎ ঝড়ের বেগে তুমি এলে বিদীর্ণ করে হৃদয়,
তোমার চাপা কান্নার জলে ফুপিয়ে বয়ে যায় দুঃখ নদী।
স্বপ্নের ছায়াবাজি
সূর্যের তীর্যক আলোকরশ্মিতে নিজের প্রতিবিম্ব
দেখা যায় চলার পথের সঙ্গীর মতো,
দৃশ্যমান, অথচ যায় না ছোঁয়া তাকে,
অজস্র ছায়াদের মিছিলে থাকে নিজেরটিও,
অলীক ভাবনাগুলোর হিসেব কষে ফেলে মন অযথাই,
সবটাই যেন মিথ্যে আশ্বাস,
স্বপ্নগুলো ছায়ার মতোন চলে দিনমান সঙ্গী হয়ে,
স্বপ্নটাকে কি সংজ্ঞায় আখ্যা হয় ?
স্বপ্ন ছুঁয়ে আসে হাজার মাইল উঁচুতে ভেসে বেড়ানো শুভ্র নিনাদ; কখনো বা বাস্তবতাকে,
কখনো চুরচুর করে দেয় ভেঙ্গে ঝরে পড়া কাঁচের মতোন,
স্বপ্ন করে ছায়াবাজি বাস্তব ও কল্পলোকের মাঝে,
স্বপ্ন খালি সাদা এক ক্যানভাসের মতো,
ইচ্ছেঁ হলেই লিখে ফেলা যায় ভাবনার রাজ্য ছুঁয়ে ।
সিঁড়ির পর সিঁড়ি ভেঙ্গে অনায়াসেই পার হওয়া যায় ।
অজস্র স্বপ্নের স্তুপের মোহে আমি থাকি আমার স্বপ্নে বিভোর ।
নির্জনতায় আমি থাকি অন্ধ এক মোহে আপন মনে,
আমার নিজের কল্পনার এক রাজ্যে, আমার এক স্বপ্নের রাজ্যে ।
স্বপ্নরাও আজকাল এক আলোছায়ার মাঝে নিজেকে লুকিয়ে রাখে,
আর আমি অপেক্ষায় থাকি স্বপ্নময় এক বসন্তের ।
রাতের নির্জনতায় আমি তারা গুনি আনমনা হয়ে,
আমি বারবার ভুলে যাই, আবার গুনি আমার আপন মনে,
স্বপ্নরা আমার সাথে ছায়াবাজি করে, জীবনের সাথেও,
অথচ স্বপ্নের সাথেই চলে আমার একাকীত্ব আর একার ছায়াবাজি ।
এলোমেলো হয়ে যাচ্ছি
একদিন ঘুমের ঘোরে কানে যেন
তোমার মিষ্টি কণ্ঠ এসে লাগলো
যেন আমার দরজার সামনে এসে
আমাকে ডাকছো।
চুমু খাচ্ছো ললাটের জমিন জুড়ে
তোমার আদরে যেন টালমাটাল হয়ে গেছি।
আমার কানে যেন গাইছো
আমার প্রিয় গান
আমি যেন বারবার ভেসে যাচ্ছি।
কি এক মায়াবী টানে আমাকে
টানো তোমার করতলে বন্দি করতে।
আমি এলোমেলো হয়ে যাচ্ছি,
আমি ভীষণ এলোমেলো হয়ে যাচ্ছি।
কাব্যগ্রন্থঃ তুমি কি আমার আকাশ হবে?
কালচে মেঘে ঢেকেছে নীলাকাশ
ছলাৎ ছলাৎ করে শান্ত হ্রদের ঢেউ
শন শন সমীরণের শব্দে উতলা হয় মন।
ধ্রুপদী ছন্দে মিলে যায় ছন্দহীন কবিতা,
সবুজে দু চোখ রেখে লিখি বাকী জীবনের পান্ডুলিপি।
যেথায় লেখা নির্বোধ কবির সুপ্ত কবিতা।
এই যে ইট বিছানো রাস্তা,
এই পথ ধরে হেটে গেছে
কত কালের অজানা ইতিহাস
কিংবা অদূর ভবিষ্যৎ।
হয়তো মিলেছে বাস্তব রেখায়
কিংবা বন্ধ পান্ডুলিপির নির্জীব পাতায়।
বৃষ্টির সিম্ফনি
আমি তবে বৃষ্টির কাছে যাই
প্রবল বারিধারার বর্ষণে নাচে কদম
ময়ূর নাচে পেখম মেলে
কদম ঝাকে ঝাকে হাসে ডালে ডালে
হৃদয়ংগম করে প্রেমিকযুগল
মাতোয়ারা হয় শ্রাবণ জলে।
একদিন অফিসে লাঞ্চ আওয়ার
বাইরে তুমুল বর্ষণ
মন বসছে না কাজে
যাবতীয় কাজ ফেলে ছুটছি তোমার কাছে।
তুমি নিশ্চয়ই আকাশে মেঘের মেজাজ দেখে
চাল ডাল মিলিয়ে খিচুড়ি চড়ালে উনুনে
ফোনে বাজছে হয়তো রবীন্দ্র সংগীত
সাথে বৃষ্টির সিম্ফোনী
কালো কালো মেঘ ডাকছে
তুমি কি ঠিক ভাবো এমন
গোমড়া আকাশের দিকে তাকিয়ে?
যেভাবে বর্ষণ করে প্রবল শ্রাবণ।
নিঃসংগ নক্ষত্রের মতো আমি ও একদিন ঝরে যাব নিভৃতে।
কেউ ডুবতে আসবে না এই যন্ত্রণার নিঃসংগতার অতল জলে,
এ জীবন নীল বিষের মতো তিলে তিলে নিস্তব্ধ করে দেয়
চোখের নোনা জলে আমি ভাসাই পুরো উষর সাহারা,
পূর্ণ চাঁদের ঝলমলে রাতেও আমার ঘরে আধার নামে।
আমি নশ্বর, অতিতুচ্ছ,
এইসব নিঃসংগতা সাইকেলের প্যাডেলের মতো ঘুরে ফিরে সামনে আসে,
ভোরের শিশির হয়ে হলুদ রোদে মিশে দ্রবীভূত হয় না আমার অবিনশ্বর দুঃখরা।
শুভ্র কাশ ফুল হাওয়ায় দুলে
শরৎ নিয়ে আসে,
চুপি চুপি মেঘের পাল রা
আকাশে ভাসে।
বিকেল গড়িয়ে আলো সরিয়ে
নামে স্বর্ণ গোধূলি ,
দিনের আলো নিয়ে গেল
সুন্দর আধুলি।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
জীর্ণ খরার দাবদাহে এক ফোঁটা প্রেমজলের আশায় চাতকের মতো চেয়েছিলাম,
তুমি এলে আমার মনের দুয়ারে কড়া নেড়ে,
তোমার রাগ অভিমান, ভালো লাগা, মন্দ লাগা আমাকে অভ্যস্ত করে ফেলেছে।
তোমাকে ছাড়া আর কিচ্ছুটি চলবে না,
কিচ্ছুটি।
অকস্মাৎ ঝড়ের বেগে তুমি এলে বিদীর্ণ করে
তোমার চাপা কান্নার জলে ফুপিয়ে বয়ে যায় দুঃখ নদী।
জীর্ণ খরার দাবদাহে এক ফোঁটা প্রেমজলের আশায় চাতকের মতো চেয়েছিলাম,
তুমি এলে আমার মনের দুয়ারে কড়া নেড়ে,
তোমার রাগ অভিমান, ভালো লাগা, মন্দ লাগা আমাকে অভ্যস্ত করে ফেলেছে।
তোমাকে ছাড়া আর কিচ্ছুটি চলবে না,
কিচ্ছুটি না ।
অকস্মাৎ ঝড়ের বেগে তুমি এলে বিদীর্ণ করে হৃদয়,
তোমার চাপা কান্নার জলে ফুপিয়ে বয়ে যায় দুঃখ নদী।
স্বপ্নের ছায়াবাজি
সূর্যের তীর্যক আলোকরশ্মিতে নিজের প্রতিবিম্ব
দেখা যায় চলার পথের সঙ্গীর মতো,
দৃশ্যমান, অথচ যায় না ছোঁয়া তাকে,
অজস্র ছায়াদের মিছিলে থাকে নিজেরটিও,
অলীক ভাবনাগুলোর হিসেব কষে ফেলে মন অযথাই,
সবটাই যেন মিথ্যে আশ্বাস,
স্বপ্নগুলো ছায়ার মতোন চলে দিনমান সঙ্গী হয়ে,
স্বপ্নটাকে কি সংজ্ঞায় আখ্যা হয় ?
স্বপ্ন ছুঁয়ে আসে হাজার মাইল উঁচুতে ভেসে বেড়ানো শুভ্র নিনাদ; কখনো বা বাস্তবতাকে,
কখনো চুরচুর করে দেয় ভেঙ্গে ঝরে পড়া কাঁচের মতোন,
স্বপ্ন করে ছায়াবাজি বাস্তব ও কল্পলোকের মাঝে,
স্বপ্ন খালি সাদা এক ক্যানভাসের মতো,
ইচ্ছেঁ হলেই লিখে ফেলা যায় ভাবনার রাজ্য ছুঁয়ে ।
সিঁড়ির পর সিঁড়ি ভেঙ্গে অনায়াসেই পার হওয়া যায় ।
অজস্র স্বপ্নের স্তুপের মোহে আমি থাকি আমার স্বপ্নে বিভোর ।
নির্জনতায় আমি থাকি অন্ধ এক মোহে আপন মনে,
আমার নিজের কল্পনার এক রাজ্যে, আমার এক স্বপ্নের রাজ্যে ।
স্বপ্নরাও আজকাল এক আলোছায়ার মাঝে নিজেকে লুকিয়ে রাখে,
আর আমি অপেক্ষায় থাকি স্বপ্নময় এক বসন্তের ।
রাতের নির্জনতায় আমি তারা গুনি আনমনা হয়ে,
আমি বারবার ভুলে যাই, আবার গুনি আমার আপন মনে,
স্বপ্নরা আমার সাথে ছায়াবাজি করে, জীবনের সাথেও,
অথচ স্বপ্নের সাথেই চলে আমার একাকীত্ব আর একার ছায়াবাজি ।
এলোমেলো হয়ে যাচ্ছি
একদিন ঘুমের ঘোরে কানে যেন
তোমার মিষ্টি কণ্ঠ এসে লাগলো
যেন আমার দরজার সামনে এসে
আমাকে ডাকছো।
চুমু খাচ্ছো ললাটের জমিন জুড়ে
তোমার আদরে যেন টালমাটাল হয়ে গেছি।
আমার কানে যেন গাইছো
আমার প্রিয় গান
আমি যেন বারবার ভেসে যাচ্ছি।
কি এক মায়াবী টানে আমাকে
টানো তোমার করতলে বন্দি করতে।
আমি এলোমেলো হয়ে যাচ্ছি,
আমি ভীষণ এলোমেলো হয়ে যাচ্ছি।
কাব্যগ্রন্থঃ তুমি কি আমার আকাশ হবে?
কালচে মেঘে ঢেকেছে নীলাকাশ
ছলাৎ ছলাৎ করে শান্ত হ্রদের ঢেউ
শন শন সমীরণের শব্দে উতলা হয় মন।
ধ্রুপদী ছন্দে মিলে যায় ছন্দহীন কবিতা,
সবুজে দু চোখ রেখে লিখি বাকী জীবনের পান্ডুলিপি।
যেথায় লেখা নির্বোধ কবির সুপ্ত কবিতা।
এই যে ইট বিছানো রাস্তা,
এই পথ ধরে হেটে গেছে
কত কালের অজানা ইতিহাস
কিংবা অদূর ভবিষ্যৎ।
হয়তো মিলেছে বাস্তব রেখায়
কিংবা বন্ধ পান্ডুলিপির নির্জীব পাতায়।
বৃষ্টির সিম্ফনি
আমি তবে বৃষ্টির কাছে যাই
প্রবল বারিধারার বর্ষণে নাচে কদম
ময়ূর নাচে পেখম মেলে
কদম ঝাকে ঝাকে হাসে ডালে ডালে
হৃদয়ংগম করে প্রেমিকযুগল
মাতোয়ারা হয় শ্রাবণ জলে।
একদিন অফিসে লাঞ্চ আওয়ার
বাইরে তুমুল বর্ষণ
মন বসছে না কাজে
যাবতীয় কাজ ফেলে ছুটছি তোমার কাছে।
তুমি নিশ্চয়ই আকাশে মেঘের মেজাজ দেখে
চাল ডাল মিলিয়ে খিচুড়ি চড়ালে উনুনে
ফোনে বাজছে হয়তো রবীন্দ্র সংগীত
সাথে বৃষ্টির সিম্ফোনী
কালো কালো মেঘ ডাকছে
তুমি কি ঠিক ভাবো এমন
গোমড়া আকাশের দিকে তাকিয়ে?
যেভাবে বর্ষণ করে প্রবল শ্রাবণ।
নিঃসংগ নক্ষত্রের মতো আমি ও একদিন ঝরে যাব নিভৃতে।
কেউ ডুবতে আসবে না এই যন্ত্রণার নিঃসংগতার অতল জলে,
এ জীবন নীল বিষের মতো তিলে তিলে নিস্তব্ধ করে দেয়
চোখের নোনা জলে আমি ভাসাই পুরো উষর সাহারা,
পূর্ণ চাঁদের ঝলমলে রাতেও আমার ঘরে আধার নামে।
আমি নশ্বর, অতিতুচ্ছ,
এইসব নিঃসংগতা সাইকেলের প্যাডেলের মতো ঘুরে ফিরে সামনে আসে,
ভোরের শিশির হয়ে হলুদ রোদে মিশে দ্রবীভূত হয় না আমার অবিনশ্বর দুঃখরা।
শুভ্র কাশ ফুল হাওয়ায় দুলে
শরৎ নিয়ে আসে,
চুপি চুপি মেঘের পাল রা
আকাশে ভাসে।
বিকেল গড়িয়ে আলো সরিয়ে
নামে স্বর্ণ গোধূলি ,
দিনের আলো নিয়ে গেল
সুন্দর আধুলি।

আপনার মতামত লিখুন