দুর্ঘটনায় দুই হাত হারিয়েও থেমে যায়নি পড়াশোনা। মুখ ও পরে পায়ের সাহায্যে লেখার কঠিন কৌশল আয়ত্ত করে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন অদম্য মেধাবী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রাব্বি। ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখা রাব্বি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা নিতে চান।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হওয়ার পর এই তরুণের সাফল্যের বিষয়টি সামনে আসে।
চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন রাব্বি। তিনি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বজলুর রহমানের ছেলে। এর আগে ২০২৪ সালে পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন তিনি।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৫ অক্টোবর পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় ফুটওভার ব্রিজে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে দুই হাত হারাতে হয় রাব্বিকে। তবে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমাতে পারেনি। প্রথমে মুখ দিয়ে এবং পরবর্তীতে দ্রুত লেখার জন্য পা দিয়ে লেখার কৌশল আয়ত্ত করেন তিনি। অভাব-অনটনের সংসারে বাবা-মায়ের দৈনিক মজুরির আয়ের পাশাপাশি চিকিৎসক ফেরদৌস কাদেরীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও শিক্ষকের সহায়তায় তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। রাব্বির এই সাফল্যে সীতাকুণ্ড এলাকাবাসীসহ শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।
বিষয় : রফিকুল ইসলাম রাব্বি

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
দুর্ঘটনায় দুই হাত হারিয়েও থেমে যায়নি পড়াশোনা। মুখ ও পরে পায়ের সাহায্যে লেখার কঠিন কৌশল আয়ত্ত করে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন অদম্য মেধাবী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রাব্বি। ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখা রাব্বি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা নিতে চান।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হওয়ার পর এই তরুণের সাফল্যের বিষয়টি সামনে আসে।
চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন রাব্বি। তিনি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বজলুর রহমানের ছেলে। এর আগে ২০২৪ সালে পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন তিনি।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৫ অক্টোবর পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় ফুটওভার ব্রিজে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে দুই হাত হারাতে হয় রাব্বিকে। তবে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমাতে পারেনি। প্রথমে মুখ দিয়ে এবং পরবর্তীতে দ্রুত লেখার জন্য পা দিয়ে লেখার কৌশল আয়ত্ত করেন তিনি। অভাব-অনটনের সংসারে বাবা-মায়ের দৈনিক মজুরির আয়ের পাশাপাশি চিকিৎসক ফেরদৌস কাদেরীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও শিক্ষকের সহায়তায় তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। রাব্বির এই সাফল্যে সীতাকুণ্ড এলাকাবাসীসহ শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।

আপনার মতামত লিখুন