হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের তিন বছর পর জাতীয় নিরাপত্তা ব্যর্থতা, গাজা যুদ্ধ ও দেশের রাজনৈতিক সংকটের পটভূমিতে ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব, অতি-গোঁড়া ইহুদিদের সেনাবাহিনীতে যোগদান সংক্রান্ত বিতর্ক এবং গাজায় আটক জিম্মিদের উদ্ধারে চরম ব্যর্থতার দায়ে অভ্যন্তরীণ তীব্র আন্দোলনের মধ্যেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দেশটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৭৩ লাখ নিবন্ধিত ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যার মধ্যে ১২ লাখ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি নাগরিকও রয়েছেন। দেশটিতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ভোটাররা সরাসরি কোনো প্রার্থীকে নয়, রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন। ১২০ আসনের ইসরায়েলি সংসদ ‘নেসেট’-এ সরকার গঠনের জন্য অন্তত ৬১টি আসনের প্রয়োজন হয়। তবে সাম্প্রতিক এক্সিট পোল ও হারেৎজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত জরিপ অনুযায়ী, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৫৪টি আসন নিয়ে নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোটের (৫০টি আসন) চেয়ে সামান্য এগিয়ে থাকলেও কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না।
সংবাদমাধ্যম ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলের মধ্যেই প্রাথমিক ভোট গণনা ও চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বিজয়ী দলগুলোর সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সম্ভাব্য সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতাকে আগামী ৪২ দিনের মধ্যে নতুন সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন। শেষ পর্যন্ত যদি কোনো জোটই পর্যাপ্ত আসন সংখ্যা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে নেতানিয়াহুর অন্তর্বর্তী সরকারই বহাল থাকবে এবং দেশটিকে পুনরায় পরবর্তী নতুন নির্বাচনের দিকে যেতে হবে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের তিন বছর পর জাতীয় নিরাপত্তা ব্যর্থতা, গাজা যুদ্ধ ও দেশের রাজনৈতিক সংকটের পটভূমিতে ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব, অতি-গোঁড়া ইহুদিদের সেনাবাহিনীতে যোগদান সংক্রান্ত বিতর্ক এবং গাজায় আটক জিম্মিদের উদ্ধারে চরম ব্যর্থতার দায়ে অভ্যন্তরীণ তীব্র আন্দোলনের মধ্যেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দেশটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৭৩ লাখ নিবন্ধিত ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যার মধ্যে ১২ লাখ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি নাগরিকও রয়েছেন। দেশটিতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ভোটাররা সরাসরি কোনো প্রার্থীকে নয়, রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন। ১২০ আসনের ইসরায়েলি সংসদ ‘নেসেট’-এ সরকার গঠনের জন্য অন্তত ৬১টি আসনের প্রয়োজন হয়। তবে সাম্প্রতিক এক্সিট পোল ও হারেৎজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত জরিপ অনুযায়ী, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৫৪টি আসন নিয়ে নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোটের (৫০টি আসন) চেয়ে সামান্য এগিয়ে থাকলেও কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না।
সংবাদমাধ্যম ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলের মধ্যেই প্রাথমিক ভোট গণনা ও চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বিজয়ী দলগুলোর সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সম্ভাব্য সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতাকে আগামী ৪২ দিনের মধ্যে নতুন সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন। শেষ পর্যন্ত যদি কোনো জোটই পর্যাপ্ত আসন সংখ্যা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে নেতানিয়াহুর অন্তর্বর্তী সরকারই বহাল থাকবে এবং দেশটিকে পুনরায় পরবর্তী নতুন নির্বাচনের দিকে যেতে হবে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম

আপনার মতামত লিখুন