জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার বছর এবং উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর করার প্রস্তাব দিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা। একই সাথে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উচ্চকক্ষকে যুক্ত করা বা উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিকল্প মডেল নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব উঠে আসে। বৈঠকে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের মেয়াদ ও গঠন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন ভোটাধিকার, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়টি স্থান পায়। বৈঠকে উচ্চকক্ষের ৫০টি আসন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে এবং বাকি ৫০টি আসন নিম্নকক্ষের আসন সংখ্যার অনুপাতে বণ্টনের প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়।
বৈঠক শেষে বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ও কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি; সংশ্লিষ্টদের লিখিত মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে। লিখিত প্রস্তাবনাগুলো পর্যালোচনার পর দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার বছর এবং উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর করার প্রস্তাব দিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা। একই সাথে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উচ্চকক্ষকে যুক্ত করা বা উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিকল্প মডেল নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব উঠে আসে। বৈঠকে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের মেয়াদ ও গঠন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন ভোটাধিকার, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়টি স্থান পায়। বৈঠকে উচ্চকক্ষের ৫০টি আসন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে এবং বাকি ৫০টি আসন নিম্নকক্ষের আসন সংখ্যার অনুপাতে বণ্টনের প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়।
বৈঠক শেষে বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ও কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি; সংশ্লিষ্টদের লিখিত মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে। লিখিত প্রস্তাবনাগুলো পর্যালোচনার পর দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন