দিনের শুরুটা কেমন হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে সারাদিনের মেজাজ ও কর্মক্ষমতা। কাজের ব্যস্ততা আর নানা দুশ্চিন্তার মাঝে নিজের জন্য একটু সময় বের করা কঠিন হলেও দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু প্রতিদিনের কিছু ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে নিজেকে মানসিকভাবে স্থির রাখেন।
বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও তিনি এই রুটিনগুলো কঠোরভাবে মেনে চলেছেন। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নিজের সকালের রুটিনের তিনটি বিশেষ অভ্যাসের কথা প্রকাশ করেছেন এই তারকা। যেখানেই থাকুন না কেন, প্রতিদিন সকালে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় ব্যয় করে এই অভ্যাসগুলো চর্চা করেন তিনি।
সামান্থা রুথ প্রভূর সকালের রুটিনের প্রথম অভ্যাসটি হলো কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে এক পাতার জার্নাল বা ডায়েরি লেখা। জীবনের কঠিন সময়ে ইতিবাচক থাকার মানসিকতা থেকে তিনি এই অভ্যাস শুরু করেছিলেন, যা তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে সাহায্য করেছে। এরপরের কাজটি হলো কিছুক্ষণ সকালের রোদে সময় কাটানো, যা শরীরের জৈবিক ঘড়ি ও ঘুম-জাগরণের ছন্দ ঠিক রাখতে কাজ করে।
এছাড়া রুটিনের শেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হলো ধ্যান করা, যা তাঁকে দৈনন্দিন জীবনের মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করে। ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, এই তিন অভ্যাসের জোরেই তিনি সারাদিন ফুরফুরে ও কর্মক্ষম থাকার শক্তি পান বলে জানান।
সূত্র: বিনোদন ও লাইফস্টাইল পোর্টাল

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
দিনের শুরুটা কেমন হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে সারাদিনের মেজাজ ও কর্মক্ষমতা। কাজের ব্যস্ততা আর নানা দুশ্চিন্তার মাঝে নিজের জন্য একটু সময় বের করা কঠিন হলেও দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু প্রতিদিনের কিছু ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে নিজেকে মানসিকভাবে স্থির রাখেন।
বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও তিনি এই রুটিনগুলো কঠোরভাবে মেনে চলেছেন। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নিজের সকালের রুটিনের তিনটি বিশেষ অভ্যাসের কথা প্রকাশ করেছেন এই তারকা। যেখানেই থাকুন না কেন, প্রতিদিন সকালে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় ব্যয় করে এই অভ্যাসগুলো চর্চা করেন তিনি।
সামান্থা রুথ প্রভূর সকালের রুটিনের প্রথম অভ্যাসটি হলো কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে এক পাতার জার্নাল বা ডায়েরি লেখা। জীবনের কঠিন সময়ে ইতিবাচক থাকার মানসিকতা থেকে তিনি এই অভ্যাস শুরু করেছিলেন, যা তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে সাহায্য করেছে। এরপরের কাজটি হলো কিছুক্ষণ সকালের রোদে সময় কাটানো, যা শরীরের জৈবিক ঘড়ি ও ঘুম-জাগরণের ছন্দ ঠিক রাখতে কাজ করে।
এছাড়া রুটিনের শেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হলো ধ্যান করা, যা তাঁকে দৈনন্দিন জীবনের মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করে। ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, এই তিন অভ্যাসের জোরেই তিনি সারাদিন ফুরফুরে ও কর্মক্ষম থাকার শক্তি পান বলে জানান।
সূত্র: বিনোদন ও লাইফস্টাইল পোর্টাল

আপনার মতামত লিখুন